শরীয়তপুরের জাজিরার একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মেয়েটির বাবা মঙ্গলবার রাতে শরীয়তপুরের পালং মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইসলাম ফকির, রাকিব মন্ডল, সবুজ রাড়ি ও পরিবহন শ্রমিক। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এজারভূক্ত আসামি রাকিব মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সদর উপজেলার উত্তর মধ্যপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে রবিবার রাতে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। এলাকাবাসী ওই ছাত্রীকে শরীয়তপুর বন বিভাগের পুকুরঘাট থেকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়।
পালং মডেল থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জাজিরা উপজেলা সদরের একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এ ছাত্রীর বাড়ি ছিল নড়িয়া উপজেলায়। গত বছর নদী ভাঙনে গৃহহীন হয়ে জাজিরার একটি গ্রামে আশ্রয় নেয় তার পরিবার। ওই ছাত্রী রবিবার বিকালে তার এক আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়ার জন্য শরীয়তপুর জেলা শহরের বাস টার্মিনালে আসেন। তখন সেখানে দেখা হয় পূর্ব পরিচিত পরিবহন শ্রমিক ইসলাম ফকির নামে এক যুবকের সঙ্গে। ইসলাম ঐ ছাত্রীকে তাঁর আত্মীয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে একটি বাড়িতে নিয়ে চার বন্ধু মিলে মেয়েটিকে গণধর্ষণ করে। মঙ্গলবার শরীয়তপুর আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক চৌকিদার অভিযুক্ত রাকিব মন্ডলকে বাস টার্মিনাল থেকে আটক করে পুলিশে তুলে দেয়।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। আর গ্রেপ্তার রাকিবকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারগারে পাঠানো হয়েছে।
