বাংলাদেশ তৈরি পোশাকশিল্প মালিক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ তৈরি পোশাকশিল্প খাতে স্টিল ফেব্রিকেটেড স্ট্রাকচারের ফায়ার রেজিস্ট্যান্স রেটিং-সংক্রান্ত সমস্যার নিরসন চায়। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপির সঙ্গে বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাত্কালে এ দাবি জানান।
এছাড়া তারা তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০২০-এ আলাদা একটি অনুচ্ছেদ যুক্ত করার জন্য এবং তৈরি পোশাকশিল্পের কারিগরি বিষয় সমাধানকল্পে বিএনবিসির সংশোধিত সংস্করণ প্রকাশের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। মন্ত্রী তাদের সব প্রস্তাবনা সক্রিয় বিবেচনার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত এনপিটিএ গাইডলাইন ২০১৩ অনুযায়ী এরই মধ্যে বিদ্যমান (২৪ নভেম্বর ২০১৩-এর আগে) তৈরি পোশাকশিল্প কারখানার স্টিল দ্বারা নির্মিত ভবনগুলোয় (৬৫ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত) স্ট্রাকচারাল এলিমেন্টের ফায়ার রেজিস্ট্যান্স রেটিং আবশ্যক ছিল না। পরবর্তী সময়ে আরএমজি সাসটেইনেবিলিটি কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত নীতিমালায় নভেম্বর ২০১৩ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত স্টিল দ্বারা নির্মিত ভবনগুলোর ক্ষেত্রে উক্ত রেটিং প্রদান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০২০-এর আলোকে স্টিল দ্বারা নির্মিত ভবনের ক্ষেত্রে অনধিক এক তলা (৮ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত) এবং শর্তযুক্তভাবে অনধিক তিন তলা (১১ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত) স্ট্রাকচারাল এলিমেন্টের ফায়ার রেজিস্ট্যান্স রেটিং প্রদানের আবশ্যকতা নেই। তাছাড়া বিএনবিসি ২০২০-এর পার্ট ১, সেকশন ৪ (৩) অনুযায়ী ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১-এর আগে নির্মিত সব ভবনে ছাড় দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগের আওতায় তারা গার্মেন্টস শিল্পের ক্ষেত্রে স্টিল স্ট্রাকচারের অগ্নিনিরাপত্তার রেটিংয়ে ছাড় প্রদানের দাবি জানান।
