মন্ট্রিয়লে হাই কমিশনারের উদ্দ্যেশে কালো পতাকা

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৪, ১৪:১৩

কানাডা থেকে প্রত্যাহারকৃত বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমানকে গতকাল ৩ মার্চ মন্ট্রিয়লে কালো পতাকা দেখানো হয়।

দীর্ঘ দিন প্রবাসীদের আন্দোলন-বিক্ষোভ, দাবির প্রেক্ষিতে খলিলুর রহমানকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তার দায়িত্বভার ত্যাগ করে অনতিবিলম্বে দেশে ফেরার নির্দেশ জারি করা হলে কানাডার বাংলাদেশি অভিবাসীরা সন্তোষ প্রকাশ করে। প্রথমে টরন্টোর পর এবার মন্ট্রিয়লের বাঙালিরা আনন্দ মিছিল বের করে পার্ক এক্সটেনসনের টিম হর্টনে মিষ্টি বিতরণ করে। এছাড়াও বাঙালি মালিকানাধীন বিভিন্ন গ্রোসারীতেও মিস্টি বিতরণ করা হয়।

খবরে প্রকাশ, স্থানীয় নাট্যকর্মী বাকি বিল্লাহ বকুলের নেতৃত্বে রোববার ৩ মার্চ বিকেল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত মন্ট্রিয়লস্থ বাঙালি অধ্যুষিত পার্ক এক্সটেনসন এলাকায় দূতাবাসের কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে কালো পতাকা মিছিল হয়। এ সময় পার্ক ভিউ রিসিপশন হলের ভেতরে হাইকমিশনার উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ভিসা ভোগান্তিসহ নানা ধরণের বিতর্কিত কার্মকাণ্ডের কারণে বিগত তিন বছর ধরে কানাডায় বাংলাদেশি অভিবাসীরা চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছিলো।

আনন্দ মিছিলে উপস্থিতিদের মধ্যে বক্তব্য দেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট মন্ট্রিয়লের সভাপতি হাসান জাহীদ কমল, মন্ট্রিয়ল থিয়েটার এর সাধারণ সম্পাদক কবির মোল্লা এবং বাকি বিল্লাহ বকুল।

এ সম্পর্কে কয়েক জন অভিবাসীর মতামত উপস্থাপন করা হলো। মন্ট্রিয়ল থেকে লিবারেল পার্টির নেতা মাঈনুর সরকার ইত্তেফাককে জানান, আমাদের দূর্ভাগ্য আজ পর্যন্ত কানাডায় সুযোগ্য কোনো রাষ্ট্রদূত পাইনি। এবার আমরা একজন সুদক্ষ দূত পাবো, এটাই প্রত্যাশা।

সিবিএন২৪'এর সম্পাদক সাংবাদিক মাহবুব ওসমানী বলেন, কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, যার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে যাবতীয় রাষ্ট্রীয় কাজ সম্পন্ন করা। সাধারণত তিনি বাংলাদেশিদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করবেন। কানাডা সরকারের কাছে বাংলাদেশের কূটনীতি সম্পর্কিত বিষয়গুলো তুলে ধরবেন এবং দুই দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় বাস্তবায়নে নিয়োজিত থাকবেন।

কানাডায় আমরা এমন একজন নতুন রাষ্ট্রদূত চাই যিনি বাংলাদেশিদের কাছে সমালোচিত হবেন না। তিনি কেবল আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রদূত হবেন না। তার গ্রহণযোগ্যতা যেন থাকে সর্বস্তরের বাংলাদেশিদের কাছে।

স্থানীয় নাট্যকর্মী বাকি বিল্লাহ বকুল বলেন, দূতাবাসে আরো অনেকই বছরের পর বছর ধরে চাকরি করছেন এবং তারাও নানা ভাবে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন। তাদেরও অনতিবিলম্বে  প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।

ইত্তেফাক/এআই