পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের ৫০ বছর পূর্তি

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৪, ১৪:২৪

পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউটের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে রোববার (৩ মার্চ) বুয়েটের কাউন্সিল ভবনে একটি বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইন্সটিটিউটের উত্তরোত্তর উন্নতিতে অবদান রাখার জন্য অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষক, কর্মচারী ও পিএইচডি গ্র্যাজুয়েটদের মাঝে ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানটিকে মহিমান্বিত করার জন্য বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্যপ্রসাদ মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খান, ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষক অধ্যাপক ড. এম. মোজাম্মেল হক, অধ্যাপক ড. আবুল ফজল এম. সালেহ এবং অধ্যাপক ড. সুজিত কুমার বালা। পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউট-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন। 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউট-এর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদ হুসাইন। এরপর ইন্সটিটিউট-এর প্রাক্তন শিক্ষক, কর্মচারী ও পিএইচডি গ্র্যাজুয়েটদের মাঝে ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্য হতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটে কর্মরত ড.মো. মাহবুবুল আলম তার ছাত্রজীবনের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন এবং ইন্সটিটিউটের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। প্রাক্তন কর্মচারীদের পক্ষ হতে আয়োজকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য প্রদান করেন সাবেক সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার মো. আকবর হোসেন। 

ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষক অধ্যাপক ড. এম. মোজাম্মেল হক, অধ্যাপক ড. আবুল ফজল এম. সালেহ এবং অধ্যাপক ড. সুজিত কুমার বালা অতীত কর্মজীবনের সোনালী স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন এবং ইন্সটিটিউটের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্যপ্রসাদ মজুমদার এবং বিশেষ অতিথি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খাঁন,শিক্ষা এবং গবেষণাক্ষেত্রে পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউটের অর্জন এবং অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়াও তারা আয়োজকদের এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ জানান। 

সবশেষে উপস্থিত সুধীর উদ্দেশ্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি এবং পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউট-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. সাইফুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠানের ঘোষক লেকচারার ফারিহা ইসলাম মৌ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং সম্মানিত অতিথিবৃন্দকে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করার আহবান জানান। আয়োজিত নৈশভোজে উপস্থিত সকলে আলোচনা এবং স্মৃতিচারণার মাধ্যমে সুন্দর সময় অতিবাহিত করেন।

ইত্তেফাক/এআই