কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে এজেন্ট ও ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক মেয়র ও বিএনপির সাবেক নেতা (বহিষ্কৃত) মনিরুল হক সাক্কু।
শনিবার (৯ মার্চ) সকাল ৯টায় কুমিল্লা নগরীর হোচ্ছাম হায়দার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর বাস প্রতীকের প্রার্থী তাহসীন বাহার সূচনার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন টেবিল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।
সাক্কু বলেন, ভোটের পরিবেশ একদমই ভালো না। কারণ ভোটাররা ভোট দিতে পারছে না। আর বাস প্রতীকের লোকজন ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছে এবং এজেন্টদেরও কেন্দ্রে ঢুকতে না দেয়া হচ্ছে না। আমরা তিনটি ওয়ার্ডে খবর নিয়েছি, কোথাও আমার কোনো এজেন্ট ঢুকতে পারেনি। এই অভিযোগ কার কাছে করব। এর কাছে বললে বলে ওর কাছে যাও। মোট কথা ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে বারবার অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। তিনটা ওয়ার্ডে আমার কোনো এজেন্টকে ঢুকতেও দেওয়া হয়নি।
ভোটের পরিবেশ একদম ভালো নয়। আশা করছি, নির্বাচন কমিশন যদি উদ্যোগ নেয়, ভোটাররা যদি কেন্দ্রে আসতে পারে, আমি জয়ী হব।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বাস প্রতীকের প্রার্থী তাহসীন বাহার সূচনা বলেন, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। আমার নেতাকর্মীরা কাউকে বাধা দেয়নি।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, কুসিকের মেয়র পদের উপনির্বাচনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৫৮। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪ ও পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৮ হাজার ১৮২ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন দুইজন। ২৭টি ওয়ার্ডের ১০৫টি কেন্দ্র এবং ৬৪০টি ভোটকক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন ১০৫ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ৬৪০ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, এক হাজার ২৮০ জন পোলিং এজেন্ট।
এছাড়াও আচরণবিধি প্রতিপালনে ২৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন, প্রতি তিন ওয়ার্ডে থাকবেন একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। ১০৫ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুনে ৪৫০ জন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
