সূর্যটা তখন পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগমন ঘটে কারো এক জনের। তাকে দেখে গণমাধ্যমের ক্যামেরার লেন্সগুলো তার দিকে তাক করতে থাকে। তা থেকেই বুঝা যায় যে এসেছে সে হয়তো সাধারণ কেউ না। কৌতুহল নিয়ে মূল মাঠের দিকে এগিয়ে যেতেই ধারণাটা সত্যি হলো। এসেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে একা নয় এদিন তার সঙ্গে ছিল তার তিন সন্তানও।
গতকাল কোনো ম্যাচ না থাকলেও সকাল থেকে ব্যস্ত ছিল শনিবার ‘হোম অব ক্রিকেট’ খ্যাত মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ। সেজন্য গতকাল সকাল থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় ছিল বেশ। কেন না আগের দিন (পরশু) ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো শনিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে বিসিবির দশম বোর্ড মিটিং। যেখানে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী এবং বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সেসঙ্গে গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টায় ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের আসন্ন আসরের ১২ দলের অধিনায়কদের নিয়ে টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন করা হবে। নির্ধারিত সময় ডিপিএলের ট্রফি উন্মোচনও শেষ হয়।
তখন দৃশ্যপট মোড় নেয় অন্যদিকে। কেন না তখন হঠাৎ করে শের-ই বাংলায় আগমন ঘটে অপ্রত্যাশিত কারোর। আগমনটা অপ্রত্যাশিত হলেও মানুষটা ছিল সবার পরিচিত। সদ্য নির্বাচিত হওয়া সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এদিন হোম অব ক্রিকেটে একা আসেননি বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। তার সঙ্গে ছিল তার সন্তান। বড় কন্যা আলায়না ছোট মেয়ে ইরাম এবং একমাত্র ছেলে আইযাহ। ছোট মেয়ে ইরাম এবং ছেলে আইযাহ মূল মাঠে বাবার সঙ্গে ফুটবল খেললে বড় মেয়ে আলায়না গণ্যমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে আসেনি মূল মাঠে। সাকিব এবং তার সন্তানদের দেখে ডেসিং রুম থেকে মূল মাঠে ছুটে আসেন টাইগার ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস। তখন সাকিবের পুত্র আইযাহকে কোলে নেন ইমরুল। পরে সূর্য ডুবে অন্ধকার হওয়ার আগেই আবার ছেলে-মেয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়েন সাকিব।
