ছাব্বিশ বছর পর আশার আলো দেখছে জাকসু

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৯, ২২:২০

দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে বন্ধ আছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ ীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) কার্যক্রম। এ দীর্ঘ সময়ে একাধিক উপাচার্য জাকসু নির্বাচনের আশ্বাস দিলেও তা। সম্প্র্রতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জাকসুর নির্বাচন কমিশন গঠনের আশ্বাস দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী নভেম্বরে নির্বাচন হবে বলেও জানান তিনি। এবারের আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবেই  নিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।

উপাচার্যের প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এক সপ্তাহের মধ্যে সব ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে জাকসু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল পাঁচ ছাত্র সংগঠন।

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘২৬ বছর পরে জাকসু নিয়ে উপাচার্যের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় আমরা আশাবাদী। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের আয়োজন করতে সব ধরনের সহায়তার জন্য আমরা প্রস্তুত। তবে এবার জাকসু বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে উপাচার্যের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে এ প্রশাসনকে প্রত্যাখ্যান করতে বাধ্য হব আমরা।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের দেওয়া আশ্বাসের ওপর আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই। এজন্য প্রশাসনের যেকোনো কাজে আমরা সহযোগিতা করব। আর উত্সবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সব বৈধ ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে সহাবস্থানে যেতে ছাত্রলীগের কোনো আপত্তি নেই।’

তবে সহাবস্থান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বলেন, ‘প্রশাসনের দেওয়া নির্বাচনের আশ্বাসে আমরা আশাবাদী। তবে জাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভায় দাওয়াত পায়নি ছাত্রদল। শুরুতেই এ ধরনের পক্ষপাতমূলক সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এছাড়া ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল সব ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান নেই। তাই আমরা দাবি জানাই সব ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।’