জবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

‘বিয়ের কথা বলেছিলেন অভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম’

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২৪, ১৬:৩৭

মাত্র এক বছর আগেই হারিয়েছেন স্বামীকে। এবার ছেড়ে চলে গেল মেয়ে। এই শোক যেন হৃদয়ে আর ধারণ করতে পারছেন না শুক্রবার রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম। থামছেই না সন্তানহারা এই মায়ের কান্না।

সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বামী-সন্তানহারা এই নারী। বারবার বলছেন, আমি তো কোনোদিন কারও ক্ষতি করিনি। আমি চেয়েছি আমার এক টাকাও সবার সঙ্গে ভাগ করে খেতে। তাহলে আমার এতো বড় ক্ষতি কেন হলো?

এ সময় অভিযোগ করেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও। বলেন, বারবার অভিযোগ দিয়েও তারা কোনো রকম প্রতিকার পাননি, বরং উল্টো অবন্তিকাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। প্রশ্ন রাখেন, যে মেয়ে ডিপার্টমেন্টে প্রথম হয়, সে কীভাবে আত্মহত্যা করার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে?

তিনি বলেন, আমি সব রকম চেষ্টা করেছি। আমি বিভাগের চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি, প্রক্টরকে জানিয়েছি। কী ব্যবস্থা নিয়েছে তারা? আমি দ্বীন ইসলামের কাছে অভিযোগ করার পর সে আমার মেয়েকে বলেছে-ওর (অবন্তিকা) বাবা নাকি তার সঙ্গে অবন্তিকার বিয়ে দিতে চেয়েছিল। এসব কথা কি একটা মেয়ে নিতে পারে?

এ সময় বলেন, আমি এই ঘটনার বিচার দাবি করছি। না হয় আমার ছেলেকে নিয়ে আমিও পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবো। আমি এর বিচার দুনিয়াবাসীর কাছে দিয়ে গেলাম।

ইত্তেফাক/এআই