চট্টগ্রামের কোরিয়ান ইপিজেডের একটি কারখানার এক কিশোরী শ্রমিক কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। দুর্বৃত্তরা ঐ শ্রমিককে অন্ধকারাচ্ছন্ন সড়কে ফেলে যায়। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় সড়ক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন সে। গত বুধবার রাতে আনোয়ারা থানার চৌমুহনী এলাকার কাছে কালারমার দীঘি নামক স্থানে সড়ক থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ওই কিশোরী শ্রমিক চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানা এলাকায় অবস্থিত কোরিয়ান ইপিজেডে কর্ণফুলী সু কারখানায় কাজ করে। তার বাড়ি চন্দনাইশ উপজেলায়। রাত ৮টায় কারখানা ছুটি হলে মেয়েটি প্রতিদিন লোকাল বাসে চড়ে বাড়িতে যায়। বুধবারও যথারীতি একইসময় মেয়েটি কারখানা থেকে বের হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে মেয়েটিকে আনোয়ারা থানার চৌমুহনীর অদূরে কালারমার দীঘি এলাকায় অন্ধকার রাস্তায় মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় জনসাধারণ। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন নম্বর নিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়। ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ জানায়, কিশোরীটির শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার বয়স আনুমানিক ১৪/১৫।
আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ ইত্তেফাককে বলেন, আমি এবং আমার থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার ভোরে হাসপাতালে গিয়ে ওই শ্রমিককে দেখে এসেছি। তার শারীরিক অবস্থা এখন ভালো। শ্রমিকটিকে যারা ধর্ষণ করেছে তাদের গ্রেফতারে ইতিমধ্যে অভিযান শুরু করেছি। মেয়েটির ভাই থানায় এসেছে। তিনি এই ঘটনায় মামলা দায়ের করছেন।
