নতুন শিক্ষার্থীরা র‍্যাগিংয়ের শিকার

আপডেট : ২০ মার্চ ২০২৪, ০৫:৩০

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী সমস্যায় ভুগছে; কিন্তু কর্তৃপক্ষ যথাসময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং দিন দিন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করলে সিনিয়র শিক্ষার্থীরা র‍্যাগিংয়ের নামে তাদের নিয়ে মজা করতে থাকে। তাদের সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে স্বাগত জানানোর পরিবর্তে কিছু সিনিয়র ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের তথাকথিত শিষ্টাচার শেখানো শুরু করে। কখনো কখনো তারা জুনিয়রদের সামনে গান গাইতে এবং নাচতে বাধ্য করে। এটি নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ অপমানজনক এবং বিরক্তিকর।

র‍্যাগিং ব্যাপক আকার ধারণ করছে। এটার কারণ হতে পারে এমন মানসিক ট্রমা সম্পর্কে অনেকেই সচেতন নয়। কখনো কখনো এটি হিংস্র হতে পারে। প্রায়ই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ করে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে নতুন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিংয়ের সম্মুখীন হতে হয়। র‍্যাগিংয়ের সাম্প্রতিক শিকারদের অ্যাকাউন্ট নিয়ে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে গল্পগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে। মনে হচ্ছে অভিযোগ ভিত্তিহীন নয়। অপব্যবহারের মাত্রা এতটাই মারাত্মক যে কিছু শিক্ষার্থী আর তাদের ক্লাসে ফিরতে চায় না।

অনেক উন্নত দেশে র‍্যাগিং একটি অপরাধ। যারা এধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। র‍্যাগিং শুধু একজন ব্যক্তিকে মানসিকভাবে প্রভাবিত করে না, কখনো কখনো এটি শারীরিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এই র‍্যাগিং সংস্কৃতি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বন্ধ করা এবং নতুন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিংয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।

 

গবেষণা সহকারী, বায়োইনফরমেটিক্স রিসার্চ ল্যাব, সেন্টার ফর রিসার্চ ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিআরআইডি), ঢাকা

ইত্তেফাক/এমএএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন