মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সিদ্ধিরগঞ্জে পৃথক কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বে দুই ভাই

দলনেতাসহ ১৭ সদস্য আটক

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২৪, ০৩:০০

সিদ্ধিরগঞ্জে দুটি কিশোর গ্যাং ‘টেনশন’ ও ‘ডেভিল এক্সো’ গ্রুপের ১৭ সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব-১১। গতকাল সোমবার আদমজী নগর র‍্যাব-১১-এর অফিস থেকে অধিনায়ক লে. কর্নেল  তানভীর মাহমুদ পাশা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। গত রবিবার রাতে মিজমিজি মাদ্রাসা রোড কবরস্থান এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। দুই গ্রুপের দুই দলনেতা দুই ভাই সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে সীমান্ত ও  সারিব।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাইসুল ইসলাম সীমান্ত টেনশন গ্রুপের দলনেতা এবং সারিব ডেভিল এক্সো গ্রুপের দলনেতা। আটককৃতরা রাস্তায় চলাচলরত জনগণের মালামাল ছিনতাই, বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মালবাহী ও যাত্রীবাহী পরিবহনে নিয়মিতভাবে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করে থাকে। তারা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে শক্তির মহড়া বা দাপট প্রদর্শন করে জনমনে ভয়ভীতি বা ত্রাস সৃষ্টি করে। এলাকাবাসী তাদের হিংস্রতা, অত্যাচার ও নির্যাতনের ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না।

আটক অন্য ১৫ জন এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম, আ. রহমানের ছেলে হুমায়ন হোসেন, আমিন উদ্দিনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন, খোকন শেখের ছেলে রাব্বি, মনিরুল ইসলামের ছেলে প্রিতম রোবায়েতি ইসফাক, হারুনের ছেলে আশিক, দেলোয়ার হোসেনের ছেলে নাঈম, আজাদ শিকদারের ছেলে তুহিন হোসেন, খন্দকার মোহাম্মদ নুহর ছেলে রোসমান, বাক্কির ছেলে শাহাদত্, তাজুল ইসলামের ছেলে সৌরভ, নুর নবীর ছেলে মাহিন, ইমান আলীর ছেলে তুষার, নবীর হোসেনের ছেলে সৌরভ ও আনোয়ার হোসেনের ছেলে আরিফ (১৯)। র‍্যাব জানায়, গত বছরের ৩১ আগস্ট এবং ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় টেনশন গ্রুপের নেতা সীমান্ত ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এছাড়া তারা এলাকার উঠতি বয়সী ছাত্রদের টার্গেট করে মাদকদ্রব্য সেবনে প্ররোচিত করে তাদের গ্রুপে যোগদান করিয়ে এলাকায় বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

র‍্যাব আরও জানায়, টেনশন গ্রুপের দলনেতা রাইসুল ইসলাম সীমান্ত ও সদস্য মো. প্রিতম রোবায়েতি ইসফাক এবং ‘ডেভিল এক্সো’ গ্রুপের সদস্য মো. আশিক ও মো. নাঈমের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা, ধর্ষণসহ একাধিক মামলা রয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এমএএম