শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০
The Daily Ittefaq

ঈদে ১১ দিন বন্ধ থাকবে বাল্কহেড, রাতে চলবে না স্পিডবোট

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২৪, ০১:১০

এবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদের আগে ও পরে মোট ১১ দিন সব ধরনের বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন নৌপুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ। 

গতকাল বুধবার পুলিশ প্লাজায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নৌপথের  আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। নৌপুলিশ প্রধান বলেন, ঈদে  নৌপথ ব্যবহারকারী ঘরমুখো মানুষের যাত্রা সহজ ও নিরাপদ করতে  নৌপুলিশ আগামী ৩ এপ্রিল  থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

সভায় নৌপুলিশ প্রধান বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের  নৌপথে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে  নৌপুলিশ বদ্ধপরিকর। পবিত্র ঈদে নৌ যাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে নৌপুলিশ সব  নৌঘাট, নৌ টার্মিনালগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে। নৌপথে নিরাপত্তা বিধানে সব নৌযানগুলোর চলাচলের বিষয়ে নৌপুলিশের বিশেষ নজরদারি থাকবে। তিনি আরো বলেন, সময়ের  চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি। কোনো নৌযান যেন প্রতিযোগিতামূলকভাবে বেশি যাত্রীবোঝাই করে  বেশি স্পিড দিয়ে নৌযান না চালায়।

অতিরিক্ত আইজিপি মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ বলেন, নৌপথে যে কোনো সমস্যায় নৌপুলিশের কন্ট্রোল রুমের নম্বর- ০১৩২০১৬৯৫৯৮ অথবা জাতীয় জরুরি  সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে নৌপুলিশকে অবগত করলে নৌপুলিশ সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয়  ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

নৌপথে নিরাপদ যাত্রায় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো হলো: লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা থেকে বিরত থাকা,  ছোট ও ত্রুটিপূর্ণ  লঞ্চে যাত্রী পরিবহনে বিরত থাকা, লঞ্চে যাত্রী সংখ্যার আনুপাতিক হারে লাইফ জ্যাকেট, বয়া প্রভৃতির ব্যবস্থা রাখা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস  জেনে নৌযান চালানো, সূর্যাস্তের পর বালুবাহী বাল্কহেড ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা, ঈদ পূর্ববর্তী পাঁচ দিন, ঈদ এবং ঈদ পরবর্তী পাঁচ দিনসহ  মোট ১১ দিন বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা, চাঁদাবাজি, চুরিসহ  যে কোনো হয়রানি বন্ধে বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি করা, নৌযান চলাচলের পথে মাছ শিকারের জন্য জাল প্রতিরোধ করা, কাগজপত্রবিহীন কোনো নৌযান না চালানো, ন্যায্যমূল্যে ভাড়া আদায়ে তদারকি, টার্মিনাল ছাড়া নদীর  যে কোনো জায়গায় অন্য  কোনো ছোট নৌযান থেকে যাত্রী ওঠানো বা নামানো বন্ধ নিশ্চিতকরণ, সব নৌযানে পর্যাপ্ত ফায়ার ফাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা।

ইত্তেফাক/এমএএম