সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

ঈদ কেনাকাটা

চাহিদার শীর্ষে সুতি লিলেন খাদি অ্যান্ডি কটনের পোশাক

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২৪, ০৩:১০

‘সারারা, ঘারারা, আনারকলি, নায়রা বা আলিয়া কাটের পোশাকের পাশাপাশি সমান তালে চলছে কামিজ-প্যান্ট। কিশোরী বা তরুণীরা কিছুটা হাল ফ্যাশনের পোশাকের দিকে ঝুঁকলেও মার্জিত রুচির কিংবা একটু বেশি বয়সিদের পছন্দের শীর্ষে থাকে ‘কামিজ-প্যান্ট’—বলছিলেন  এক বিক্রেতা। তিনি জানান, কমবয়সি মেয়েরা গাউন ও ছোট কামিজের সঙ্গে সারারা বা ঘারারা কিনছেন। গত বছরের নায়রা কাটের পোশাকও চলছে তবে কিছুটা কম। তবে আলিয়া কাটের পোশাক চলছে ভালোই। একটি অভিজাত শপিং মলে কথা হয় ঈদের পোশাক কিনতে আসা এক তরুণীর সঙ্গে। তিনি বলেন, পছন্দের থ্রিপিসগুলোর দাম অনেক বেশি। যে টাকায় ঈদের জন্য একটি থ্রিপিস কিনব, সেই টাকায় ঈদের পরে হয়তো দুই সেট জামা কিনতে পারব। একেকটা পোশাকের দাম সাড়ে ৪ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে। হয়তো দরাদরি করলে কিছুটা কমে পাওয়া যাবে।

ক্রেতার দাম বেশির অভিযোগ সম্পর্কে এক দোকানি বলেন, ‘এবছর কাপড় আনতে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে, ডলারের বিনিময় হার বেশি। এসব পোশাক সবই বাইরের, ফলে দাম একটু বেশি।

সব যুগেই সমান তালে চলে সালোয়ার কামিজ। তাই সবগুলো শপিংমলে পাওয়া যাচ্ছে ‘কামিজ-প্যান্ট’। বড়-ছোট সবাই এই পোশাক পরতে পারেন বলে এর চাহিদা থাকে বছর জুড়ে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়ান পিস কামিজ, টুপিস ও থ্রিপিস। কামিজের মধ্যেও রয়েছে নানান ডিজাইন। কোনটিতে হাতের কাজ, কোনটিতে কাটওয়ার্ক, কোনটিতে অ্যাম্ব্রয়ডারি, আর কোনটিতে রয়েছে পুথি-স্টোনের কারুকাজ। এসব পোশাকের দাম পড়ছে—ওয়ান পিসের দাম ১ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। দুই পিসের দাম পড়ছে সর্বনিম্ন ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে। আর থ্রিপিস পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার ৫০০টাকা থেকে ১৩ হাজার টাকার মধ্যে।

গরমে ঈদ হওয়ার কারণে সুতি, লিলেন, খাদি, অ্যান্ডি কটন, ভয়েল, সিফন, অর্গাঞ্জা, পাকিস্তানি লন, অ্যান্ডি সিল্ক কাপড়ের পোশাকের চাহিদা বেশি। এসব কাপড়ের মধ্যে হালকা কাটওয়ার্ক, অ্যাম্ব্রয়ডারি, পুথি-চুমকি, ডলার বসানো কাজের কাপড়ের প্রাধান্য পেয়েছে বেশি। ডিজাইনের পাশাপাশি ফ্যাশন হাউজগুলো পোশাকে ব্যবহার করেছে উজ্জ্বল রঙ ও উজ্জ্বল রঙের সুতো। সুতি কাপড়ের পাশাপাশি লিলেন চলছে। একই সঙ্গে অ্যান্ডি সুতি, অ্যান্ডি সিল্ক কাপড়ের প্রাধান্য রয়েছে। সঙ্গে চলছে প্লাজো আর প্যান্টকাট পায়জামা।

সুতি কাপড়ের মধ্যে কাজ করা, লনের থ্রিপিসের দাম পড়ছে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে। আর সিফনের থ্রিপিসের দাম পড়ছে ২ হাজার টাকা থেকে ৮ হাজার টাকা। চলছে লুজ প্যাটার্নের সেমি-লং কামিজ। এর পাশাপাশি চলছে কুর্তি, ফ্রক, টপস ও ফতুয়া।

ইত্তেফাক/এসটিএম