মানবদেহের বিষাক্ত পদার্থ হলো-কার্বন-ডাই-অক্সাইড

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৯, ১৯:৪৪

বিজ্ঞান

মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন

সিনিয়র শিক্ষক

দুলালপুর এস.এম.এন্ড কে উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমাদের জেএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল ও ভবিষ্যতে উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রের বিজ্ঞান বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যায়ভিত্তিক রচনামূলক (সৃজনশীল) প্রশ্নোত্তর তোমাদের জন্য তুলে ধরা হলো। আজকে পঞ্চম অধ্যায় অর্থাত্ “সমন্বয় ও নি:সরণ” থেকে সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্ন তুলে ধরা হলো।

উদ্দীপকটি পড়ো ও নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

মি. খলিলুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত্ বহুমূত্র রোগে ভুগছেন তাই তার ঘনঘন প্রস্রাব হয়। অল্প পরিশ্রমেই শরীর ঘামে ভিজে যায়। রোগের যন্ত্রণায় তিনি মাঝে মাঝে ঘনঘন নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

ক. রেচন পদার্থ কী?

খ. মানব দেহের বিষাক্ত পদার্থগুলো নিষ্কাশনের প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।

গ. মি. খলিলুর রহমানের ঘনঘন নি:শ্বাসের বায়ুতে যে বর্জ্য পদার্থটি ত্যাগ করে এটি যে “কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস” তা একটি পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করো।  

ঘ. উদ্দীপকের প্রথম লাইনটির কার্য যে তন্ত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয় সেটিই মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: ক. রেচন পদার্থ: নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ যেগুলো দেহের জন্য ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় তাদের রেচন পদার্থ বলে।

খ. মানবদেহের বিষাক্ত পদার্থ হলো- কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া,পানি প্রভৃতি। বিপাকের ফলে পানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া প্রভৃতি দূষিত পদার্থ দেহে তৈরি হয়। এ সকল বর্জ্য পদার্থ প্রধানত নি:শ্বাস বায়ু, ঘাম এবং মূত্রের সাথে দেহ থেকে নিষ্কাষিত হয়। ফুসফুস, চর্ম ও বৃক্ক এই তিনটি রেচন অঙ্গ। কার্বন-ডাই-অক্সাইড ফুসফুসের মাধ্যমে, লবণ জাতীয় ক্ষতিকর পদার্থ চর্মের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। বৃক্কের মাধ্যমে দেহের নাইট্রোজেনযুক্ত তরল, দূষিত পদার্থ পরিত্যক্ত হয়। মূত্রের মাধ্যমেই দেহের শতকরা আশি ভাগ নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য বের হয়।

  

গ ও ঘ-এর উত্তর আগামীকাল