শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০
The Daily Ittefaq

সাত ত্রাণকর্মী নিহতের ঘটনায় অবশেষে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১৯:১৪

গত সোমবার (১ এপ্রিল) গাজা উপত্যকার দেইর এল-বালাহ এলাকায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ত্রাণসহায়তা বিতরণের পর ফেরার পথে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় সাতজন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। এই হামলার দায় স্বীকার করতে নারাজ ছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। অবশেষে এই ঘটনায় মুখ খুলেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু।

সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, নেতানিয়াহু ইসরায়েলি হামলায় ত্রাণকর্মী নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলেছেন এই হামলা ছিল ‘অনিচ্ছাকৃত’।

এক ভিডিও বার্তায় হিব্রু ভাষায় তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত গত ২৪ ঘন্টায় আমাদের বাহিনী গাজা উপত্যকায় অনিচ্ছাকৃতভাবে নিরপরাধ মানুষকে আঘাত করার একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধে এই ধরণের ঘটনা ঘটেই থাকে। আমরা শেষ পর্যন্ত এগুলো লক্ষ্য করি। আমরা বিভিন্ন সরকারের সাথে যোগাযোগ করছি। ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য আমরা সবকিছু করব।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু স্বীকার করেছেন যে, ‘অনিচ্ছাকৃত’ ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ‘নিরপরাধ মানুষ’ নিহত হয়েছেন। হামলায় দাতব্য সংস্থা ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের জন্য কাজ করা সাতজন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন।

এর আগে সাত ত্রাণকর্মীর মৃত্যুর জন্য ‘আন্তরিক দুঃখ’ প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি তারা।

ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন (ডব্লিউসিকে) এবং গাজার হামাস পরিচালিত মিডিয়া অফিস হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছিল।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) গাজায় ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত করেছে ডব্লিউসিকে। ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য খাদ্য সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা আরেকটি মার্কিন এনজিও আমেরিকান নিয়ার ইস্ট রিফিউজি এইডও (আনেরা) গাজায় তাদের কার্যক্রম স্থগিত করছে। 

অনেক পশ্চিমা কর্মকর্তা এবং মন্ত্রী এই হামলার একটি ব্যাখ্যা দাবি করেছেন। ডব্লিউসিকে বলেছে, নিহতরা যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, পোল্যান্ড, ফিলিস্তিন এবং মার্কিন-কানাডার দ্বৈত নাগরিক ছিলেন।

 

 

 

ইত্তেফাক/এনএন