শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি রুখবে কে?

মানছে না ট্রাফিক পুলিশও

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০০

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে মোটরসাইকেল চালকরা বেপরোয়া আচরণ করছেন। তাদের এই বেপরোয়া গতি রুখার কেউ নেই। বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল আটকাতে গিয়ে আহত হচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরাও। অ্যাপের মাধ্যমে মোটরসাইকেলে যাত্রী নেওয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই ঢাকায় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে মোটরসাইকেল। গ্রাম থেকে অনেকেই ঢাকায় এসে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। অথচ তাদের অনেকেরই ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। এমনকি রাজধানীতে যানজটের মধ্যে চালানোর অভিজ্ঞতা নেই তাদের। প্রায়ই পথচারীরা এই ধরনের মোটরসাইকেল চালকদের কারণে দুর্ঘটনায় পড়ে আহত হচ্ছেন।               

দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলায় যানবাহন আসা-যাওয়া করে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের মধ্য দিয়ে। পাশাপাশি ঢাকা জেলাসহ ৩৮টি জেলায় যানবাহন প্রবেশ করে ওয়ারী দিয়ে। ফলে ঈদের আগে ও পরে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৬ ঘণ্টা করে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গতকাল মঙ্গলবার ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মো. রিয়াজ উদ্দিন মোল্লা দয়াগঞ্জ চৌরাস্তা এলাকায় হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিয়ে শারীরিকভাবে আহত করে। পরে সার্জেন্ট রিয়াজ উদ্দিন মোল্লাকে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম জানান, ফিটনেস বিহীন বাস-ট্রাক, মূল সড়কে অটোরিকশা, বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল, লক্কড়ঝক্কড় লেগুনা ও মহানগরের বাইরে থেকে আসা সিএনজির অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সদস্যরা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার রিয়াজ উদ্দিন মোল্লা ছাড়াও কনস্টেবল মো. একলাছ আলী ডেমরা এলাকার কোনাপাড়ায় আহত হন। পরে তাকেও সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, ঈদ পরবর্তী ঢাকামুখী মানুষের ঘরে ফেরা স্বাচ্ছন্দ্যে করতে তারা দিনরাত কাজ করছেন। যানজট কমাতেও চেষ্টা করছেন তারা।

ইত্তেফাক/এমএএম