সব রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুতদের স্বেচ্ছা, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরির প্রয়েজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন গ্রুপ অব সেভেন (জি-সেভেন) দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। একই সঙ্গে তারা রোহিঙ্গা ও অন্যান্য জাতিগত সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছেন। গত শুক্রবার ইতালির ক্যাপ্রিতে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে প্রকাশ করার যৌথ ঘোষণায় এ কথা জানানো হয়েছে।
নেতারা মিয়ানমারে জেট ফুয়েলসহ অস্ত্র এবং অন্যান্য দ্বৈত ব্যবহারের সামগ্রীর প্রবাহ রোধ বা বন্ধ করার জন্য সব রাষ্ট্রের প্রতি তাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে অবিলম্বে যে কোনো সহিংসতা বন্ধ, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেতাদেরসহ নির্বিচারে আটক সব বন্দির মুক্তি এবং একটি অর্থবহ ও টেকসই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে সব অংশীজনের সঙ্গে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, জি-সেভেন বা গ্রুপ অব সেভেন হলো জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি আন্তঃসরকারি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ফোরাম। ইউরোপীয় ইউনিয়নও জি-সেভেনে প্রতিনিধিত্ব করে। এই সাত দেশ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) স্বীকৃত বিশ্বের সাতটি মূল উন্নত অর্থনীতির দেশ।
