ফতুল্লায় ১২ ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় আটক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল আমিনের বিরুদ্ধে পৃথক আইনে দুটি মামলা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দুটি করা হয়। আল আমিনের বিরুদ্ধে নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি এবং অপরটি র্যাবের পক্ষ থেকে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করা হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. আসলাম হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার ফতুল্লার মাহমুদপুর এলাকার বায়তুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা আল আমিনকে আটক করে র্যাব-১১। তিনি এ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এবং একটি মসজিদের ইমামও। র্যাব আল আমিনের কাছ থেকে বেশকিছু পর্নোভিডিও উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ভুঁইয়াপাড়া এলাকার রেনু মিয়ার ছেলে। র্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলেপ উদ্দিন জানান, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত মাওলানা আল আমিন মাদ্রাসার ১২ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ স্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে তিনি ঐসব শিশু শিক্ষার্থীদের পর্নোগ্রাফি ভিডিও চিত্র দেখিয়ে এবং তাদের ছবি যুক্ত করে পর্নোগ্রাফি বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে অসামাজিক কাজে বাধ্য করতেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এ ১২ শিক্ষার্থী ছাড়া আরো কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঐ শিক্ষক যৌনাচার করেছেন কি না সে ব্যাপারে তাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। গ্রেফতার অধ্যক্ষ আল আমিন কারাগারে রয়েছেন। ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।
