মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সিস্টেম এনালিস্টের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ, ইত্তেফাক প্রতিবেদকের বক্তব্য

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০১:২১

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সিস্টেম এনালিস্ট এ কে এম শামসুজ্জামান সোশ্যাল মিডিয়াতে সদ্য প্রচারিত একটি ভিডিওতে পুলিশের কাছে দৈনিক ইত্তেফাকের রিপোর্টার ‘নিজাম উদ্দিন’ নাম উল্লেখ করে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। প্রকৃতপক্ষে ইত্তেফাকে এ নামে কোনো রিপোর্টার নেই। দৈনিক ইত্তেফাকে শিক্ষা বিট কাভার করেন নিজামুল হক।

কারিগরির সনদ জালিয়াতি ও অবৈধ সনদ বাণিজ্যের খবর চাপা দিতে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম এনালিস্ট প্রকৌশলী এ কে এম শামসুজ্জামানের কাছ থেকে ‘নিজামউদ্দিন’ আর্থিক সুবিধা নেন। সদ্য প্রকাশ হওয়া জেরার একটি ভিডিওতে এমনটাই বলেন শামসুজ্জামান। ইত্তেফাক ছাড়াও বেশ কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদকের নাম উল্লেখ করেন তিনি। 

এ বিষয়ে ইত্তেফাক রিপোর্টার নিজামুল হক বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ওই সিস্টেম এনালিস্টকে চিনি না। সামনা-সামনি কখনো দেখাও হয়নি। তিনিও আমাকে সরাসরি দেখলে চিনবেন না। ফলে কোন নিজামউদ্দিনের কথা বলেছেন—তা আমি জানি না। ইত্তেফাকের নাম উল্লেখ করে এ ধরনের ভিত্তিহীন বিষয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি আরও চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি, কারও প্ররোচনায় ঐতিহ্যবাহী ইত্তেফাকের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য অপপ্রচার চালানো হয়েছে। আমরা সিস্টেম এনালিস্টের বক্তব্যের বিষয়ে অচিরেই আইনগত ব্যবস্থা নেবো।’

জাল সার্টিফিকেট প্রিন্ট ও বিক্রির অভিযোগে গত ১ এপ্রিল রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন—বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কম্পিউটার সেলের সিস্টেম এনালিস্ট এ কে এম শামসুজ্জামান ও একই প্রতিষ্ঠানের চাকরিচ্যুত কর্মচারী ফয়সাল। 

এরপর গতকাল শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট থেকে জাল সনদ ও নম্বরপত্র তৈরির একটি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের স্ত্রী সেহেলা পারভীনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। 

ইত্তেফাক/এএএম