শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সীমান্ত থেকে পিছু হটতে বাধ্য হলো মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ২১:৪০

চলতি মাসের প্রথমদিকে জান্তা সামরিক বাহিনীকে হটিয়ে কেয়ন রাজ্যের সীমান্তবর্তী বাণিজ্যিক শহর মায়াওয়াদ্দি দখল করে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ)। এবার ক্ষমতাসীন জান্তা সেনাদের পাল্টা আক্রমণের মুখে সেখান থেকে নিজেদের যোদ্ধাদের প্রত্যাহার করেছে গোষ্ঠীটি। খবর রয়টার্সের।

আগেরবার বিদ্রোহীদের হামলার মুখে শহরটিতে থাকা অধিকাংশ সরকারি সেনা আত্মসমর্পণ করেছিল আর বাকিরা পালিয়ে গিয়েছিল।

শনিবার মিয়াওয়াদ্দিতে দুইপক্ষের মধ্যে ফের তীব্র লড়াই শুরু হয়। এ সময় একদিনে শহরটির প্রায় ৩০০০ বেসামরিক বাসিন্দা পালিয়ে যায়। বিদ্রোহীরা মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডকে সংযোগকারী একটি সীমান্ত সেতুতে আটকা পড়া সরকারি সেনাদের হটিয়ে দিতে আক্রমণ শুরু করেছিল। কিন্তু বাইরে থেকে আসা সরকারি বাহিনীর অতিরিক্ত সেনারা স্থানীয় একটি মিলিশিয়া বাহিনীর সহায়তা নিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে শহরটিতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।

বুধবার কেএনইউ এর মুখপাত্র সাও তাও নি জানিয়েছেন, জান্তা সেনারা ফিরে আসার পর তাদের যোদ্ধারা মায়াওয়াদ্দি শহর থেকে অস্থায়ীভাবে পিছু হটেছে। 

মুখপাত্র আরও বলেন, ‘জান্তা সেনারা অগ্রসর হয়ে মায়াওয়াদ্দি শহরে প্রবেশ করেছে। কেএনএলএ-র সেনারা তাদের ও তাদের পেছনে থাকা সেনাদের ধ্বংস করে দেবে।’

কেএনএলএ বা কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি কেএনইউয়ের সশস্ত্র শাখা। কেএনএলএ মিয়ানমারের সবচেয়ে পুরনো বিদ্রোহী বাহিনীগুলোর একটি।

বুধবার থাইল্যান্ড জানায়, সেখানে লড়াই অনেকটা থেমে এসেছে এবং তারা সীমান্ত ক্রসিংটি আবার খুলতে পারবে বলে আশা করছে; ইতোমধ্যেই সীমান্ত বাণিজ্যের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।  কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটিতে বার্ষিক এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বৈদেশিক বাণিজ্য হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।  

এক ব্রিফিংয়ে থাই মুখপাত্র নিকোরন্দেজ বালাঙ্কুরা বলেন, ‘পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তারপরও আমরা নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি, যে কোনো সময় তা পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে।’

ইত্তেফাক/এনএন