বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

গল্পই আমার মূল হাতিয়ার: জাহিদ প্রীতম

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৪, ১৯:৪৮

‘বুক পকেটের গল্প’ দিয়ে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন জাহিদ প্রীতম। এবার নতুন একটি ওয়েব ফিকশন নিয়ে আসছেন প্রীতম। ‘তিলোত্তমা’ শিরোণামের এ ফিকশনটির পোস্টার, টিজার-ট্রেলার উন্মোচনের পর থেকে দর্শকের মধ্যেও বেশ  সাড়া জেগেছে।
  
বিষণ্ণ প্রেমের গল্প নির্ভর এ ফিকশনটি নিয়ে নির্মাতা জাহিদ প্রীতম জানান, ‘বুক পকেটের গল্প’ তে দর্শককে দেখিয়েছিলাম শুদ্ধ প্রেমগুলো, কিভাবে ক্ষনিকের পরিচয়ে জীবনে আসা মানুষগুলোকে আজীবনের জন্য অর্জন করা যায়, ভালবাসা, যত্ন আর মায়া দিয়ে আগলে রাখা যায় সব ভুল গুলো এড়িয়ে গিয়ে। 

ঠিক বিপরীত মুখী গল্পে আসছে ‘তিলোত্তমা’, যেখানে প্রাধান্য পেয়েছে সম্পর্কের টানাপোড়েন, হতাশা, দু:খ,বেদনা, বিষাক্ত অনুভব, বলতে পারেন অবিশুদ্ধ এক ভালোবাসার বিষণ্ণ প্রতিচ্ছবি'। 

তিলোত্তমা নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানাতে প্রীতম বলেন, ‘যেহেতু দুই জনরার গল্প, তাই প্রত্যাশাও ভিন্ন। আমি চাই আমার প্রতিটা কাজই প্রতিবার ছাপিয়ে যাক অন্যকে। এবারও তার ব্যতিক্রম না হোক সেই কামনা করছি’। 

তিনি আরও বলেন ‘আমার কাছে ফিকশন মানেই গল্প, আমি ফিকশনেই বিভিন্ন জনরা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালবাসি। এক জনরা হিট হলে আমি সেটা দ্বিতীয়বার বানাতে চাইনা বরং ঠিক তার বিপরীত জনরা নিয়ে কাজ করি। রিস্ক নিতে ভালো লাগে। তাই প্ল্যাটফর্ম যাই হোক না কেন, আমি ফিকশনেই বাজির ঘোড়াটা খেলতে চাই। গল্পই আমার মূল হাতিয়ার। 

‘তিলোত্তমা’ নিয়ে অনুভূতির কথা জানিয়ে জাহিদ বলেন, ‘প্রতিটা মানুষ গুড সোল। সবচেয়ে অবাক করেছে নতুন চরিত্রে অভিনয় করা মেয়েটা, বন্নি হাসান, আমাদের তিলোত্তমা। 

দুর্দান্ত অভিনয় করে গেছে সে, মজার ব্যাপার হলো, প্রতি পারফরম্যান্স শেষেই আমরা হাততালির শব্দ শুনতে পারছিলাম, উপস্থিত দর্শকদের, টিম মেম্বার দের চোখে পানি দেখছিলাম। আমরা তখনই বুঝে গেছি, কাজটা হৃদয় দুমড়ে মুচড়ে দিয়ে যাবে’। 

সামনে ওটিটির কাজ ও সিনেমার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রীতম বলেন, দর্শক সাদরে গ্রহন করছে আমার গল্প। তবে আমার কাছে বাজেট বা মাধ্যম খুব একটা মেটার করেনা। আমি আমার গল্প বলার জন্য পছন্দমত প্ল্যাটফর্ম, আর্টিস্ট, বাজেট পেলেই হ্যাপি। 

ওটিটি নাকি ইউটিউব ফিকশন এগুলো আমাকে খুব একটা ভাবায় না। আমি শুধু চাই আমার গল্প গুলো মানুষের কাছে পৌঁছে যাক। মাঝে মাঝে ভাবতাম ইউটিউব না থাকলে কি হতো? 

আমি ভাবতাম আমি একটা প্রজেক্টের নিয়ে ৬৪ জেলায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে আমার গল্প দেখাতাম হয়তো। তাই আমার কাছে প্ল্যাটফর্ম না, কন্সেপ্ট টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি যা বলতে চাই তা বলতে পারলাম কিনা। যারা সম্মান করে আমার দর্শনে কাজটা তাদের সাথেই হোক। জয় তখনই আসে'।

ইত্তেফাক/পিএস

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন