সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) যানবাহন ও শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের সুবিধার্থে প্রতিটি সড়কে বসানো হয়েছে সড়ক বাতি। তবে এসব সড়কবাতি অধিকাংশই অচল। কোনো কোনো এলাকাজুড়ে সড়কবাতি একেবারেই জ্বলছে না। এতে চুরি, ছিনতাই, সড়ক দুর্ঘটনাসহ যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অতিদ্রুত সড়কবাতিগুলো সচল করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে ক্যাম্পাস সড়কগুলো ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরাণ হল থেকে চেতনা-৭১ পর্যন্ত ও চেতনা-৭১ থেকে একাডেমিক ভবন-ই ও ‘সি’ এর মধ্যবর্তী স্থানগুলোতে কোন সড়ক বাতি জ্বলছে না। এদিকে সৈয়দ মুজতবা আলী হলসহ আবাসিক হলগুলোর এলাকায় অধিকাংশ বাতিই অচল রয়েছে। কিলোরোড ও ছাত্রীহলের রাস্তায়ও বাতির অপর্যাপ্ততা রয়েছে। এছাড়া সড়কগুলো মেরামত না করায় রাস্তার দুপাশে ছোট বড় অনেক গর্ত তৈরি হয়েছে। এতে যেকোন সময় অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আবাসিক ছাত্রী বলেন, ‘সামনে বর্ষাকাল আসছে। এখন সাপের উপদ্রব বাড়বে। গত বছর একজন ছাত্রীকে সাপে কামড় দিয়েছিল। এছাড়া বাতির অভাবে অন্ধকারে হলের রাস্তায় একজন ছাত্রী ফোন ছিনতাই হয়েছিল। তাই এইসকল অনাকঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুতই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্থানে পর্যাপ্ত বাতি বাসানো ও অচল বাতিগুলো সচল করার প্রয়োজন।’
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আমির হোসেন বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আলো স্বল্পতা রয়েছে। কর্তৃপক্ষের সজাগ দৃষ্টির অভাবে অনেকদিন ধরেই অনেক জায়গায় বাতিগুলো অচল হয়ে আছে। এতে করে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে চলাচলে শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করেন না। দ্রুতই বাতিগুলো সংস্কারের দাবি জানান এই শিক্ষার্থী।’
সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আশরাফ হোসেন বলেন, ‘কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে বাতিগুলো অচল হয়েছে। বাতিগুলো সচল করতে আমাদের লোকেরা কাজ করছে। তবে লোকবল সংকট রয়েছে। তাই সবজায়গার বাতিগুলো সচল করতে সময় লাগবে।’

আজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ক্লাস শুরু হচ্ছে
৯ মে পর্যন্ত চুয়েট বন্ধ ঘোষণা, ১২ মে পুনরায় অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু