শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সুবর্ণচরে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ

আপডেট : ০৯ মে ২০২৪, ২১:২৭

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে নির্বাচনে জয়ী নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে আতাহার ইশরাক ওরফে সাবাব চৌধুরীর অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৮ মে) রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এবং বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার পূর্ব চরবাটা ও চরজব্বর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলাকারীরা পরাজিত প্রার্থী দোয়াত-কলম প্রতীকের জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিমের অনুসারীদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাট করে।

খবর পেয়ে চরজব্বর থানা পুলিশ ও বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলার দোয়াত-কলম প্রতীকের সমর্থক মো. হারুনুর রশিদ সোহাগ বলেন, রাত ১২টার দিকে ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মো. সোহেলের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন আমার বাসার টিনের বেড়া ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ সময় আমি ঘরের ভেতরেই ছিলাম। তারা ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে আমাকে খোঁজে। আমি পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যাই। হামলাকারীরা আমার ৪ বছরের বাচ্চাকে আঘাত করে এবং যাওয়ার সময় আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে যায়।

হামলাকারীরা একই এলাকার আরও দুটি বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি সোহাগ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিমকে জানিয়েছেন। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে যুবলীগ নেতা মো. সোহেল সোহাগের বাড়িতে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এমন কোনো ঘটনা এলাকায় ঘটেনি। 

অভিযুক্ত নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরীর বক্তব্যের জন্য মোবাইলে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।      

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু হামলার খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। যারা হামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/পিও