কুমিল্লায় ১০ বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুর!

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৯, ২২:০০

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় শুক্রবার রাতে পাঁচ পরিবারের অন্তত ১০টি বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তারা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করেছে। এসব পরিবারের নারী-পুরুষসহ শিশুদের মারধর করে এবং একটি মোটরসাইকেলও নিয়ে যায়। এতে ছয়জন আহত হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালিবাজার ইউনিয়নের ধনুয়াখোলা গ্রামের মৃত নজির আহম্মেদের ছেলে মাইনুদ্দিন আলম বেঙ্গল ফিস এন্ড ফিড এবং গ্লোব এগ্রো প্রোডাক্টসের স্থানীয় ডিলার। একই গ্রামের যুবলীগ কর্মী শাহীন তার মাছের খামারের জন্য আলমের কাছ থেকে প্রায় ১৫লাখ টাকার মাছের খাদ্য বাকিতে নেয়। শাহিন ওই টাকা পরিশোধ না করায় তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সমাধানের জন্য ওইদিন দু পক্ষের মধ্যে স্থানীয়ভাবে সালিশ বসার কথা ছিল। কিন্তু এর আগ মুহূর্তে শাহিন তার লোকজন নিয়ে আলমের বাড়িতে যায় এবং উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে রাত ১১টার দিকে শাহিনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে আলমের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ওই বাড়ির মিজান, মকবুল আহমেদ, বারেকসহ পাঁচ পরিবারের অন্তত ১০টি বসতঘর ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে অভিযুক্ত শাহিন জানান, মাইনুদ্দিন আলমের সঙ্গে কোনো লেনদেন নেই। তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গেও আমার সম্পৃক্ততা নেই।

কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার স্থানীয় ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মাহবুব জানান, রাতে মাইনুদ্দিন আলমসহ অন্য পরিবারের উপর হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের কথা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় কালিরবাজার ইউপি চেয়ারম্যান মো. সেকান্দর আলী বলেন, দুই পক্ষের হামলার ঘটনা শুনেছি। কিন্তু বসতঘর ভাঙচুরের বিষয়টি জানা নেই।