দুই সড়কে আজ থেকে রিকশা চলাচল বন্ধ

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৯, ২২:১২

প্রগতি সরণি ও মিরপুর রোড

ইত্তেফাক রিপোর্ট

সড়ক ও ফুটপাতে জনদুর্ভোগ লাঘব এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘ঢাকা মহানগরীর অবৈধ যানবাহন বন্ধ, ফুটপাত দখলমুক্ত ও অবৈধ পার্কিং বন্ধে গঠিত কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ডিএনসিসির আওতাধীন প্রগতি সরণি (কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মালিবাগ পর্যন্ত সড়ক) এবং মিরপুর রোডে (গাবতলী হতে ধানমন্ডি-২৭ পর্যন্ত সড়ক) আজ থেকে রিকশা ও ভ্যান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল এ ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গুলশানের ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নগর ভবনে আয়োজিত সভায় মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, রিকশা নিষিদ্ধ নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। প্রধান সড়কগুলোতে যান্ত্রিক যানবাহনের পাশাপাশি রিকশা এবং অন্যান্য অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল করলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তবে প্রধান সড়ক ব্যতিরেকে অন্যান্য সড়কে রিকশা এবং অন্যান্য অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল করতে পারে।

মেয়র বলেন, জনগণের চলাচল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে ফুটপাত ও সড়কে কোনো ধরনের মালামাল বা স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে ডিএনসিসি অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে এবং আগামীকাল থেকে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। ফুটপাত ও সড়কে রক্ষিত মালামাল ও স্থাপনা অবিলম্বে স্ব-উদ্যোগে সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি দোকান মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

আতিকুল ইসলাম এই দুটি সড়কে পর্যাপ্ত বাস নামানোর জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থা (বিআরটিসি) এবং বাস মালিক সমিতির প্রতি আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নিরাপদ করতে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে বাস বা মাইক্রোবাস চালু করার অনুরোধ জানান। পর্যায়ক্রমে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মালিবাগ পর্যন্ত চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করা হবে বলে মেয়র জানান।

সভায় উপস্থিত সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ বলেন, উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের তাল মিলিয়ে চলা উচিত। যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহন অন্তত প্রধান সড়কগুলোতে চলতে পারে না। সভায় উপস্থিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, রিকশা মালিক সমিতি ও সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তবে রিকশা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ একইসঙ্গে সকল অবৈধ রিকশা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।