বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন

ব্যাংকের আমানতে ফের নিম্ন গতি 

জানুয়ারিতে কমেছে ১৩ হাজার কোটি টাকা

আপডেট : ১৮ মে ২০২৪, ০২:১৬

জানুয়ারি শেষে ব্যাংক খাতের আমানত কমে দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর শেষে আমানত ছিল ১৭ লাখ ৭০ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ, বছরের প্রথম মাসে আমানত কমেছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘ইসলামিক ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স স্টাটিসটিক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, ব্যাংক খাতের মোট আমানতের মধ্যে জানুয়ারি শেষে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে রয়েছে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা, যা গত ডিসেম্বর শেষে ছিল ৪ লাখ ২২ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা। এ হিসাবে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে জানুয়ারিতে আমানত কমেছে ৮ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা। আর প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোতে ৪ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা কমে আমানত দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা। 

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একীভূতকরণ শুরুর পর অনেকের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে। তারই প্রভাবে আমানত কমেছে। একীভূতকরণ নিয়ে অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে। কোন ব্যাংক কার সঙ্গে একীভূত হয় এবং তারা মনে করছেন, একীভূত হলে টাকা ফেরত পাওয়া যাবে কি না, এমন সন্দেহে তুলে নিচ্ছেন। 

এদিকে রাষ্ট্রীয় মালিকানার বেসিক ব্যাংক সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছে, গত ৮ এপ্রিল একটি বেসরকারি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূতকরণ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর থেকে অস্বাভাবিকভাবে আমানত উত্তোলনে গভীর সংকটে পড়েছে তারা। গত ৭ মে পর্যন্ত ব্যাংকটি থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা উত্তোলন হয়েছে। ফলে এসএলআর ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। 

বর্তমানে অন্য উত্স থেকে আমানত পাওয়া যাচ্ছে না। আবার সিকিউরিটিজ লিয়েন রেখে টাকা ধার নেওয়ার মতো অবস্থা নেই। অন্য ব্যাংকও তাদের কলমানি থেকে টাকা ধার দিচ্ছে না। এ অবস্থায় সরকারের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/এএইচপি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন