‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২১ বছর বাস্তবায়ন ও নির্বাচনী প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় মানবাধিকার কর্মী এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের কো-চেয়ার সুলতানা কামাল বলেছেন, পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের সঙ্গে যারা জড়িত তারা আন্তরিক হলেও কেউ কেউ এই চুক্তি বাস্তবায়ন হতে দিচ্ছে না। তবে চুক্তি বাস্তবায়নের আশা না হারাতে সবাইকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমাদের ফিরে আসতে হবে। দুর্বৃত্তদের হাতে দেশ ছেড়ে দেব না। মুক্তিকামী সকল মানুষের স্মরণে এই চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে হবে। গতকাল রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে জাতীয় নাগরিক উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বাস্তবায়নে কোনো রাজনৈতিক দলের ওপরই আস্থা রাখা যায় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, সামনের নির্বাচনে কার কাছে কী প্রত্যাশা করব? একেকজন একেক সময় একেক কথা বলেন। সকালে এক কথা, দুপুরে আরেক কথা আর রাতে আরেক কথা। আগে জানতাম এরশাদের (হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ) এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ছিল। এখন দেখি সবাই তাকে অনুসরণ করে। কার কাছে প্রত্যাশা করব যে চুক্তি বাস্তবায়িত হবে?
কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. সাদেকা হালিম, শিক্ষক অধ্যাপক ডক্টর মেজবাহ কামাল এবং বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং।
