জীবনযুদ্ধে বেঁচে যাওয়া একদল এসিড দগ্ধ তরুণী গড়ে তুলেছেন ‘শিরোজ হ্যাংআউট’ নামের একটি ক্যাফেটেরিয়া। যাঁরা এই ক্যাফেটেরিয়াটি গড়ে তুলেছেন তাঁদের সকলের চেহারাই এসিডে ঝলসে কমবেশি বিকৃত হয়ে গেছে। কিন্তু তাতেও দমে যাননি তাঁরা। বিচিত্র সেসব চেহারার মধ্য দিয়েই ছিটকে পড়ছে নির্ভার হাসির ঝলকানি। যেন বিশ্বব্যাপী নারী নির্যাতনের সকল প্রচ্ছন্ন প্রতিবাদ তাঁদের চোখ-মুখে। তাঁদের গল্পটি ভয়াবহ এসিড হামলার শিকার হয়েও শুধু বেঁচে থাকাই নয়, বরং মাথা উঁচু করে করে জীবনযুদ্ধে টিকে যাওয়ার হার না মানারও।
আগ্রার তাজমহল থেকে মাত্র আধামাইল দূরে অবস্থান করছে এই ট্র্যাজিক সিম্বল ‘শিরোজ হ্যাংআউট’। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ৫ জন নারী। এই ৫ নারী হলেন ঋতু সাইনি, চঞ্চল কুমারী, নিতু মাহর, গীতা মাহর ও রূপা। নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েও এই ভুক্তভোগী নারীরা সমাজের কাজে হার মানেননি। ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মাথা উঁচু করে। নিজের বিকৃত চেহারা আড়ালে রেখে প্রতিনিয়ত যেন কাজের মাধ্যমে জানান দিচ্ছেন পৃথিবীর সকল নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাঁরা বিমূর্ত প্রতীক।
