ধনুস্কোদি :অ্যা গোস্ট টাউন

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৯, ১৮:০৩

 

পরিত্যক্ত শহর ধনুস্কোদি ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার পক প্রণালিতে অবস্থিত। পক প্রণালি বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে যুক্ত করেছে। ১৯৬৪ সালের ডিসেম্বরে এক দানবীয় ঘূর্ণিঝড় আঁছড়ে পড়ে ধনুস্কোদির বুকে। এতে ১৮শ’র অধিক মানুষ প্রাণ হারায়। এরপর আরো অনেক ভয়ানক প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হেনেছে ধনুস্কোদির বুকে। এমনকি কয়েক দফায় পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছিল শহরটি। তবুও আশাহীন পথে জীবনের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন সেখানকার জেলেরা। সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের প্রধান ভরসা ‘ভয়ানক’ সমুদ্রই। সমুদ্রই তাঁদের জীবিকার প্রধান উত্স, আবার সেই সমুদ্রই তাঁদের অনাকাঙ্ক্ষিক মৃত্যুর অন্যতম উপলক্ষ। ধনুস্কোদিতে বসবাসরত জেলেদের জীবনে এ যেন এক নির্মম সত্য। ঘূর্ণিঝড় ধনুস্কোদির দক্ষিণাংশকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলে। সেখানকার ঘরবাড়ি, রাস্তা, উপাসনালয়, রেললাইন সবকিছু নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় এবং শহরটি প্রায় ৫ মিটার পানির নিচে তলিয়ে যায়। যাঁরা ঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল তাঁরা আগেভাগেই রামেশ্বর শহরে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। এই ঘটনার পর ভারত সরকার ধনুস্কোদিকে ‘মানুষ বসবাসের জন্য অনুপযুক্ত’ ঘোষণা করে।

এরপর থেকেই ধনুস্কোদি এক নিষিদ্ধ শহরে পরিণত হয়।