কর পরিশোধে ভোগান্তি
ইত্তেফাক রিপোর্ট
ভূমি নিবন্ধনে স্থানীয় কর পরিশোধ করা নিয়ে হয়রানি ও ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। আগে সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে পে-অর্ডার করা যেত। নতুন করে এনআরবিসি ব্যাংকে শুধু স্থানীয় কর প্রদানের নিয়ম করায় গ্রাহক ভোগান্তি বেড়েছে। সেবা গ্রহীতাদের এখন সোনালী ব্যাংক বা এনআরবিসি ব্যাংকে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে।
নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সাধারণত দলিল মূল্যের ওপর ২ শতাংশ স্থানীয় কর, ৩ শতাংশ স্ট্যাম্প ডিউটি, ৪ শতাংশ গেইন ট্যাক্স, ২ শতাংশ হারে নিবন্ধন ফি ছাড়াও ভ্যাট ও ক্ষেত্রভেদে অগ্রিম আয়কর পরিশোধ করতে হয়। এর আগে পুরো কাজটি সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমেই সম্পাদন করা হতো। সোনালী ব্যাংকের একটি শাখাও ঢাকায় রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে রয়েছে। এখন একটি পাইলট প্রকল্পের কারণে বেসরকারি খাতের এনআরবিসি ব্যাংকের দুটি বুথ এখানে খোলা হয়েছে। এই বুথ দুটিতে নিম্নমানের অবকাঠামো থাকার অভিযোগ করে গত বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগীরা বলেন, একবার সোনালী ব্যাংক, একবার এই বুথে আসা যাওয়া করার মানে কী? এতে সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। ভোগান্তিও হচ্ছে।
বিদ্যুত্ গেলে কি পরিস্থিতি দাঁড়ায় সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এই কমপ্লেক্সে ৩ কোটি টাকার জেনারেটর কেনার পর একদিনের জন্যও চালু হয়নি বলে সূত্রে জানা গেছে। প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের এই খাতটি নিয়ে একধরনের উদাসীনতা রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জিয়াউল হক ইত্তেফাককে বলেন, এটি পাইলট প্রকল্প হিসাবে নেওয়া হয়েছে। ভূমি রেজিস্ট্রেশনের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পাদনের নিমিত্তে এই পাইলট প্রকল্পটি নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উদ্ভূত সমস্যাগুলো নিরসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
