শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

অকালবার্ধক্য ঠেকাতে যেসব অভ্যাস নয়

আপডেট : ১০ জুন ২০২৪, ১৭:১৪

আজকাল জীবনজুড়ে হাজারটা ব্যস্ততা। সঠিক সময়ে ঘুম কিংবা খাবারের খেয়াল রাখারও সময় হয়ে ওঠে না অনেকের। অনিয়মে একদিন হুট করে আয়নায় নিজেকে দেখে চিনতে পারছেন না? বয়সটা অকালেই বেড়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে? অসময়ে ত্বকে বলিরেখা দেখা দেওয়া, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া, পেশির ক্ষয়, নিস্তেজ ত্বক ও ক্লান্তি বার্ধক্যের পূর্বলক্ষণ। অকালবার্ধক্য কারও কাছেই কাঙ্ক্ষিত নয়। অথচ রোজকার কিছু বদভ্যাসে সময়ের আগেই বয়সের ছাপ পড়ে যায় শরীরে। 

বসে থাকা
অফিস আদালত, স্কুল কলেজ যাই হোক কাজ সেই বসে বসেই। সারাক্ষণ এক ভাবে বসে থাকার ফলে শরীরে সঠিক ভাবে রক্ত চলাচলে ঘাটতি হয়। এতে অকালেই শরীরে বয়সের ছাপ দেখা দেয়। এছাড়াও ওবেসিটি, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের রোগের মতো সমস্যার ঝুঁকিও বাড়িয়ে এই অভ্যাস। তাই কাজের ফাঁকে একটু হাঁটাচলা করুন। শরীরচর্চায় মনোযোগী হয়ে উঠুন।


অস্বাস্থ্যকর খাবার
বন্ধুদের আড্ডায় হোক বা বাসায় অর্ডার করে, নানা রকম মুখরোচক খাবার খাওয়া এখন আমদের রোজকার অভ্যাস। এই অভ্যাস আখেরে আমাদের জন্য ভীষণ বিপদজনক। এই খাবারগুলিতে ক্যালোরির পাশাপাশি রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, শর্করা, লবণ, খারাপ কোলেস্টেরলের মতো ক্ষতিকর উপাদান। দীর্ঘ দিন তারুণ্য ধরে রাখতে লাগাম টানুন এই ধরনের খাদ্যাভ্যাসে। বরং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাসে মনোযোগী হয়ে উঠুন। 

মানসিক চাপ
সুস্থ ও সুন্দর জীবন পেতে হাসি ভীষণ জরুরি। অথচ আমাদের চারপাশের পরিস্থিতিতে যেন আজকাল মানুষ হাসতেই ভুলে গেছে। কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে সুস্থতাই যেন এখন দায়। হাসলে এন্ডরফিন হরমোন ক্ষরিত হয়। যা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই বার্ধক্য এড়াতে হাসিমুখ বজায় রাখাটা জরুরি। তাই যেসব কাজ ভালোলাগে করুন। হাসুন, ভালো থাকুন।


ধূমপান
অকালবার্ধক্যের অন্যতম আরেকটি কারণ হলো ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস। অতিরিক্ত ধূমপানের অভ্যাসে ত্বকের চামড়া কুঁচকে যায়, জেল্লা হারায়। এছাড়া ধূমপান হার্টের অসুখ, ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে। তাই বয়সের ছাপ লুকিয়ে রাখতে এই অভ্যাসে রাশ টানা জরুরি।

অপর্যাপ্ত ঘুম 
অপর্যাপ্ত ঘুম আপনার শরীরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের অন্তত দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। এরচেয়ে কম ঘুমও কিন্তু ডেকে আনবে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্ধক্য।

ইত্তেফাক/এআই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন