আইএফসির ১০ কোটি ডলার ঋণ পাচ্ছে এপিক গ্রুপ

আপডেট : ২০ জুন ২০২৪, ০৫:৩০

আরও পরিবেশবান্ধব উপায়ে এবং দক্ষতার সঙ্গে বস্ত্র উৎপাদনে সহায়তা করতে এপিক গ্রুপকে ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংকের বেসরকারি খাতবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)। এ লক্ষ্য অর্জনে এপিক গ্রুপকে মোট ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে আইএফসি। এর মধ্যে ৭ কোটি ডলার দেওয়া হচ্ছে টেকসই উন্নয়নবিষয়ক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আর বাকি ৩ কোটি ডলার দেওয়া হচ্ছে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনে। এই ঋণ এপিক গ্রুপের বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও ভারতে নতুন কারখানা তৈরিতে ব্যবহার করা হবে। 

আইএফসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এপিক গ্রুপ বাংলাদেশে ওয়াশিং ও বর্জ্য পরিশোধন কার্যক্রম উন্নয়নে এ ঋণের অর্থ ব্যয় করবে। সেই সঙ্গে প্রযুক্তিগত উন্নয়নে বিনিয়োগ করে পানি ও জ্বালানির ব্যবহার হ্রাসে এ অর্থ কাজে লাগানো হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইএফসির এ ঋণসহায়তা বাংলাদেশ ও ভারতে যথাক্রমে ১০ হাজার ৫০০ প্রত্যক্ষ ও ১৭ হাজার পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার তিনটি লক্ষ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে এ ঋণ দেওয়া হচ্ছে, যেমন গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসারণ ও স্বাদুপানি ব্যবহার হ্রাস এবং প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক ও মধ্যম স্তরে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি।

এপিক গ্রুপের নির্বাহী চেয়ারম্যান রঞ্জন মাহতানি বলেছেন, ‘টেক্সটাইলশিল্পকে আরও টেকসই ও উদ্ভাবনী করতে এটি আইএফসির গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আইএফসির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিকার্ডো পুলিতি বলেন, ‘এশিয়া অঞ্চলের বস্ত্র ও পোশাক খাতের সরবরাহশৃঙ্খলের উন্নয়নে আইএফসি অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, টেক্সটাইল খাতকে আরো টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক করা। এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।’ আইএফসি উল্লেখ করেছে, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে পোশাক কারখানাপ্রতি ৬৫ শতাংশ কার্বন নিঃসারণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা আছে এ উদ্যোগে। পৃথিবীতে যত কার্বন নিঃসারিত হয়, তার ৬ থেকে ৮ শতাংশ আসে টেক্সটাইল বা বস্ত্র খাত থেকে। এই দূষণের বড় একটি অংশের উত্স এশিয়া।

ইত্তেফাক/এমএএম