চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় আলোচিত স্কুলছাত্র রুবেলের খুনিদের গ্রেপ্তারে সহযোগিতা করে স্থানীয়দের প্রশংসায় ভাসছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট। হত্যাকারীরা প্রভাবশালী পরিবারের হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।
উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের শামসুদ্দীনের ছেলে খৈয়াছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র আরমান হোসেন রুবেল গত এক বছর আগে ১২ জুন রাতে সুফিয়া বাজার এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়। ১৭ জুন মিরসরাই শিল্প জোনের সাগরপাড়ে সাহেরখালী বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।
এ ঘটনায় মামলা হলেও খুনিরা প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। আসামিপক্ষের ভয়-ভীতি প্রদর্শনে উল্টো চাপে ছিল ভুক্তভোগী পরিবার। পরে এলাকাবাসীর পরামর্শে গত ঈদুল আজহা উপলক্ষে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য এলিটের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে নিহত রুবেলের মা শিরিনা আক্তার খুনিদের বিচারে সহায়তা চান। পরে খুনিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে প্রশাসনকে অনুরোধ করেন এলিট। এরপরেই সন্দেহভাজন এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মিরসরাই থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় গত ২২ জুন রাতে মোক্তার হোসেনকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। মোক্তার হোসেন মিঠানালা ইউনিয়নের পশ্চিম মিঠানালা এলাকার মীর হোসেনের ছেলে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে আলোচিত এ হত্যা মামলার গ্রেপ্তারে সহযোগিতা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্থানীয়দের প্রশংসায় ভাসছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট। ফেসবুকে আর এম রুমি লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ লিডার। আপনি প্রমাণ করলেন মিরসরাইবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের শেষ ভরসা আপনি।’ মো. ইউসুফ লিখেন, ‘ইনশাআল্লাহ লিডার আপনার সহায়তায় একটা সঠিক বিচার হবে।’
