জলাবদ্ধতায় নাকাল জনজীবন!

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৯, ২১:৩৭

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জনসংখ্যা কাগজে-কলমে এখন প্রায় এক কোটি ছুঁঁইছুঁই। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর আতঙ্কের এক নাম জলাবদ্ধতা। বর্ষাকাল এলেই জলাবদ্ধতার কারণে জনসাধারণের ভোগান্তির মাত্রা বেড়ে যায়। এক পশলা বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় শহরের অলিগলি। তখন চলাফেরা করা দুষ্কর হয়ে যায়। এই সময় সুযোগ সন্ধানীরা গাড়িভাড়া বাড়িয়ে দেয়—এতে বিপাকে পড়ে জনগণ। প্রায় সময় বর্ষার আগে নেওয়া হয় নানামুখী পদক্ষেপ। এতে খুব একটা সুফল পান না নগরবাসী। আষাঢ়ের তীব্র দাবদাহে নগরবাসী যখন হাঁসফাঁস করেন তখন একটু মেঘ আর বৃষ্টিতে স্বস্তির  ছায়া নেমে এলেও একঘণ্টার বৃষ্টিতে ম্লান হয়ে যায় সব। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) খালগুলো সংস্কারে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু করলেও তা কতোটা জলবদ্ধতা নিরসনে ভূমিকা রাখে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন আছে।  যততত্র আবর্জনা ফেলার কারণে খুব অল্প সময়েই ভরাট হয়ে যায় নগরীর খালগুলো। খালের ময়লা পানির কারণে বেড়ে যায় মশার উত্পাত। দেখা দেয় নানা ধরনের পানিবাহিত রোগ। পানি সময়মতো সরে যেতে না পারায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। চট্টগ্রামের নিচু এলাকারগুলোর মধ্যে অন্যতম হালিশহর, আগ্রাবাদ বৃষ্টির কারণে পানিতে একপ্রকার তলিয়ে যায়। এ থেকে প্রতিকারের উপায় জানা নেয় এলাকাবাসীর। শিল্পীর তুলতে আঁকা নান্দনিক এই শহর বর্ষা এলে হয়ে যায় দুর্ভোগের নগরী। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?

জাহিদ হাসান, চট্টগ্রাম