স্ত্রীকে নিয়ে ভোট দিলেন বাংলাদেশিদের নিয়ে ‘অযাচিত’ মন্তব্য করা স্টারমার

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৪, ১৮:১১

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। লন্ডনের উত্তরে ক্যামডেনে ভোট দিয়েছেন ব্রিটেনে বিরোধী লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ের স্টারমার ও তার স্ত্রী ভিক্টোরিয়া। এ খবর দিয়ে অনলাইন স্কাই নিউজ বলছে, এ সময় কিয়ের স্টারমার পরেছিলেন লাল টাই। তার স্ত্রীর পরনে ছিল লাল পোশাক। 

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ জুন) যুক্তরা‌জ্যের প্রভাবশালী দৈ‌নিক ‘ডেইলি সা‌ন’ আ‌য়োজিত এক‌টি বিতর্ক অনুষ্ঠা‌নে ‘অযা‌চিতভা‌বে’ বাংলাদেশের নাম টে‌নে মন্তব্য করেছিলেন কিয়ের স্টারমার। তিনি বলেছিলেন, ‘ক্ষমতায় এলে বাংলা‌দেশের মতো দেশগুলো থেকে আসা যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, তা‌দের নিজ দে‌শে ফেরৎ পাঠা‌নো হ‌বে।’

পরে নিজ দলের প্রতিনিধি ও নেতাদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পরই ক্ষমা ও ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন স্টারমার। যেখানে তিনি ব্রিটেনের অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের অবদানের কথা স্বীকার করেন এবং এ অবদানের জন্য দেশটিতে থাকা বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এদিকে কিরবি সিগস্টোন কেন্দ্রে স্ত্রী অক্ষতা মূর্তিকে সাথে নিয়ে ভোট দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ঋষি সুনাক স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নর্থালারটনের একটি গ্রামের ভোটকেন্দ্রে আসেন। এ সময় তারা দুজন বেশ উৎফুল্ল ছিলেন। ফুরফুরা মেজাজে তারা একে অপরের হাত ধরে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন এবং ভোট দিয়ে একইভাবে বেরিয়ে যান। 

এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল সুনাকের কনজারভেটিভ পার্টি (টোরি) ও প্রধান বিরোধী লেবার পার্টিসহ ছোট-বড় ৯৮টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মূলত কনজারভেটিভ পার্টি ও লেবার পার্টির মধ্যে।

ভোটাররা তাদের প্রতিনিধি বেছে নিতে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড জুড়ে ৪০ হাজার কেন্দ্রে ভোট দিচ্ছেন। সকাল থেকে একযোগে সব অঞ্চলে ভোট শুরু হয়েছে। লোকজন উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে আসছেন। তারা সে ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দাদের সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৭টায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। ইতিমধ্যে অনেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। 

ইত্তেফাক/এনএন