নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানসিক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষত তৈরি করছে। সেটা রাষ্ট্র, রাজনীতি, রাজনৈতিক শক্তি, সরকার ও গণতন্ত্রের ধরন, মানুষের দায়বদ্ধতাসহ অনেক কিছুর সঙ্গে জড়িত। এই পরিস্থিতি গণমানুষের জীবনে বড়ো ধরনের নেতিবাচক অভিঘাত তৈরি করছে। উন্নয়নের পাশাপাশি এই নেতিবাচক চিত্র প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে ধর্ষণ আইনের সংশোধনসহ বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে জানিয়েছেন বক্তারা।
গতকাল মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানসহ সব জনগণের উদ্যোগে প্রচারাভিযান ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে ৩২টি সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। সম্মলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু প্রমুখ।
