প্রতিযোগিতার এই যুগে জীবনমুখী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সময় বদলেছে। এখন একটি সম্মানজনক ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে চাই যুগোপযোগী বিষয়ে শিক্ষালাভ। রোমাঞ্চকর-আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার নিয়ে ভবিষ্যত্ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মের আগ্রহের কেন্দ্র্রবিন্দুতে আছে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা বিমান প্রকৌশল। বিমান প্রস্তুতকারক শীর্ষস্থানীয় সংস্থা বোয়িংয়ের নিরীক্ষার হিসাব অনুযায়ী আগামী ২০ বছরে এয়ারলাইন্স এবং এভিয়েশন সেক্টরে শুধু দক্ষিণ এশিয়ার প্রয়োজন হবে ৪৮ হাজার ৫০০ বৈমানিক ৫৮ হাজার এয়ারক্রাফট টেকনিশিয়ান, ৭৬ হাজার ২৫০ কেবিনক্রুসহ এভিয়েশন সেক্টরে অসংখ্য দক্ষ জনবল। বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এভিয়েশন সেক্টরে ক্যারিয়ার গঠনের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। এসএসসি, ‘ও’ লেভেল, দাখিল, সমমান পাসের পরেই একজন শিক্ষার্থী পড়াশোনা শুরু করতে পারে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। বিটেক লেভেল-৩ ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামটি, যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য শিক্ষাবোর্ড পিয়ারসন, ইউকের অধীনে পরিচালিত একটি অ্যাডভান্সড ডিপ্লোম প্রোগ্রাম; যাঁর মাধ্যমে মাত্র চার বছরেই একজন শিক্ষার্থী ব্যাচেলর অর্থাত্ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করতে পারে। উক্ত বিটেক লেভেল-৩ এবং লেভেল-৫ ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামটি বিজনেস টেকনোলজি এডুকেশন কাউন্সিল (বিটেক) কর্তৃক অনুমোদিত। শিক্ষার্থী বিটেক লেভেল-৫ হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামটি বাংলাদেশে সম্পন্ন করে বিমান মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রকৌশল বিদ্যায় পারদর্শী হতে চাইলে পরবর্তী ৩য়, ৪র্থ বছর ফ্লাইট স্কুল ইন্টারন্যাশনাল ফিলিপিনসে উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী হতে পারে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব ফিলিপাইন অনুমোদিত স্নাতক ডিগ্রিধারি একজন দক্ষ এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (এমই) লাইসেন্সড ইঞ্জিনিয়ার। এছাড়া শিক্ষার্থীরা উড়োজাহাজ প্রোডাকশন কিংবা এয়ারক্রাফট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে প্রকৌশলী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে ৩য়, ৪র্থ বছর চায়নার বিখ্যাত সেনইয়াং অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটিতে বিএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামে লেখাপড়া মাধ্যমে অর্জন করতে পারবে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি। এয়ারপোর্ট কিংবা এয়ারলাইন্স ব্যবস্থাপনায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে পড়তে পারে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট কলেজে মালয়েশিয়ার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ব্যাচেলর (অনার্স) ইন এয়ারলাইনস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামে। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতের ফ্লাইট সেফটি, এয়ারপোর্ট ম্যানেজমেন্ট, প্ল্যানিং, এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স, বহুবিধ এয়ারলাইন্স এবং এভিয়েশন সেক্টরে কর্মক্ষম এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার। এইচএসসি পাসের পর শতভাগ শিক্ষাবৃত্তিসহ অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আন্তর্জাতিকমানের পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে বিএসবি ফাউন্ডেশন পরিচালিত, ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কলেজ অব এভিয়েশন। প্রতিষ্ঠানটি অভিজ্ঞ ও দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক, বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর দ্বারা পরিচালিত। বিস্তারিত জানতে :(www.cambrian.edu.bd/cic, ০১৭৬২৬-৮৮০৩৫)। শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য রয়েছে সিআইসিএর নিজস্ব বিমান পাইপার স্নিগার পি-এ ২৮, ফাইটার ডব্লিউ ৭সি জেট ইঞ্জিনসমৃদ্ধ এনরিচ এ্যারোল্যাব। শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে হোস্টেল ও ট্রান্সপোর্ট সুবিধা। এছাড়াও কোর্স শেষে শিক্ষার্থীরা দেশে ও বিদেশের নামকরা এয়ারলাইন্সে ও এভিয়েশন এজেন্সি এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের শতভাগ নিশ্চয়তা তো রয়েছেই।
