নয়টি দল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এই সিরিজে আকবর আলীর নেতৃত্বে খেলছে বাংলাদেশ এইচপি দল। নিজেদের প্রথম ম্যাচে মেলবোর্ন রেনেগেডসের বিপক্ষে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা জয় পেলেও গতকাল তাসমানিয়ার বিপক্ষে তুলাধুনা হয়েছেন আকবররা। মোটামুটি ব্যাটিংয়ের পরে বাজে বোলিং ও দৃষ্টিকটু ফিল্ডিংয়ের কারণে হারতে হয়েছে ৫ উইকেটে।
গতকাল ডারউইনে বাংলাদেশ এইচপি দল প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ১৬৬ রান করে। জবাবে ৩ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় তাসমানিয়া। জয়ের পেছনে ব্যাট হাতে বড় ভূমিকা রেখেছেন জেক ডোরান। তিনি একাই ৩৭ বল থেকে ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় তুলে নেন অপরাজিত ৭১ রান। তাকে একাধিকবার আউট করার সুযোগ পেয়েও সেটি কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ।
১৬৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শেষ দুই ওভারে তাসমানিয়ার দরকার ছিল ২৪ রান। ১৮.১ ওভারে ম্যাকমিলানকে আফিফ-রনিরা আউট করতে ব্যর্থ হন। সেই ওভারে বাজে বোলিংয়ের দৃষ্টান্ত গড়েন আবু হায়দার রনি। পরপর দুই চারে ও উইকেটরক্ষক আকবরের ব্যর্থতায় তাসমানিয়া জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়। সহজ ক্যাচও লুফে নিতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। শেষ ওভারে রাকিবুল হাসান আটকাতে পারেননি প্রতিপক্ষের জয়। পারভেজ ইমন সহজ ক্যাচ ছাড়ার কারণে ডোরানদের জয় তুলে নিতে বেগ পেতে হয়নি। ৩ বল হাতে রেখেই তারা জয় নিশ্চিত করেন।
ম্যাচটিতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৩৯ রান করেছেন পারভেজ হোসেন ইমন। কিন্তু বাজে ফিল্ডিং সহজ ক্যাচ নিতে না পারার কারণে সেই রান কোনো কাজে আসেনি। এ দিন নতুন বলে আক্রমণাত্মক শুরু করেন ওপেনার জিশান আলম। তার ব্যাট থেকে আসে ২৩ বলে ৩৮ রান। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম করেন ২৯ বলে ২৮ রান। তিন নম্বরে নেমে দারুণ ইনিংস খেলেন ইমন। এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং করেন তিনি।
ইমন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ২৯ বলে করেন ৩৯ রান। আফিফ ঝড়ো ব্যাটিংয়ের আভাস দিলেও মাত্র ১০ রান করে বিদায় নেন তিনি। অধিনায়ক আকবর ব্যাটিং করেছেন ওয়ানডে মেজাজে, ১৭ বলে করেন ২০ রান। শামিম হোসেন করেন ১২ বলে ১৩ রান। তাতে রানের গতি কিছুটা ধীর হয়ে পড়ে। বল হাতে আলিস আল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, আবু হায়দার রনিরা ছিলেন নিষ্প্রভ। রাকিবুল ২টি উইকেট পেলেও প্রতিপক্ষকে ধরে রাখতে পারেননি।
