লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আনিছুর রহমান আজাদ (৪৫) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে মহসিন নামের এক সন্ত্রাসী। এ সময় তার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন রিয়াদ হোসেন টিটু (২৩) ও ইব্রাহিম (৩৫) নামের আরও দুই ব্যক্তি। স্থানীয় ব্যক্তিরা আহতদের রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলেও ইব্রাহিমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সোমবার রাতে উপজেলার ভাট্রা ইউনিয়নের নান্দিয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক মহসিনকে (৩০) আটক করে। নিহত আনিছুর রহমান নান্দিয়ারা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং ঘাতক মহসিন একই এলাকার আনোয়ারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাট্রা ইউনিয়নের সাবেক নান্দিয়ারা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাট্রা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য আনিছুর রহমান আজাদের ভাগনে রামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের উপশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক রিয়াদ হোসেন টিটুকে মারধর করে একই গ্রামের আনোয়ারের ছেলে সন্ত্রাসী মহসিন। ভাগনেকে মারধরের প্রতিবাদ করলে মহসিন ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে মামা আজাদকে। এ সময় বাধা দিলে আরও দুজনকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে মহসিন। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা তাকে আটক করে পুলিশে দেয়।
বাট্রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মিঠু জানান, সন্ত্রাসী মহসিন এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আজাদকে হত্যা করেছে। আজাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। আর মহসিন মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সে সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। সে তার বাবা-মাকেও মারধর করত।
রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘাতক মহসিনকে আটক করা হয়েছে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
