নারীবিদ্বেষকে সন্ত্রাসবাদের আওতাভুক্ত করবে যুক্তরাজ্য

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৪, ২০:০০

যুক্তরাজ্য প্রথমবারের মতো চরম নারীবিদ্বেষকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে বিবেচনার পরিকল্পনা করছে। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াইভেত্তে কুপার সন্ত্রাসবিরোধী নীতি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অনলাইনে নারীবিদ্বেষ ছড়ানোর বিষয়টি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বজুড়ে নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সন্ত্রাসবিরোধী নীতি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে উগ্রবাদী চরমপন্থার মতো নারীবিদ্বেষকেও একইভাবে দেখা হয়।

<blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Extreme misogyny to be treated as terrorism under UK government plans <a href="https://t.co/YR7MscNcZ1">https://t.co/YR7MscNcZ1</a></p>&mdash; The Guardian (@guardian) <a href="https://twitter.com/guardian/status/1824954761944191394?ref_src=twsrc%5Etfw">August 17, 2024</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

এমনকি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নারীবিদ্বেষ দেখা গেলে তাদের সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী প্রোগ্রামে পাঠানোর জন্য শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক নির্দেশনা দেওয়ার বিধানও এই আইনে রাখা হবে।

যেসব শিক্ষার্থীকে এই প্রোগ্রামে পাঠানো হবে, তাদের মধ্যে উগ্রবাদের কোনও লক্ষণ রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করবে স্থানীয় পুলিশ। তাদের কাজ হবে উগ্রবাদের প্রভাব থেকে এসব শিক্ষার্থীকে দূরে রাখা।

গত মাসে যুক্তরাজ্যের পুলিশপ্রধানদের কাউন্সিল নারী ও কিশোরীদের ওপর সহিংসতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে নারীবিদ্বেষকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

ইত্তেফাক/টিএইচ