আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংসদ সদস্যদেও বিতর্কের মধ্য দিয়ে দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানো হলো। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) বিল ২০১৯ পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। বিলটি পাসের আগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একে অপরের বিরুদ্ধে এই আইনের অপপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে উদ্দেশ করে জাতীয় পার্টি বলেছে, আপনারা দুই জনই কালো আইনকে স্পর্শ করেছেন। যা আমরা করিনি।
এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়। গত ২৫ জুন বিলটি সংসদে তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে বিলটি ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
২০০২ সালে যখন দ্রুত বিচার আইন প্রথম সংসদে পাস হয়, সে সময় এ আইনের মেয়াদ ছিল দুই বছর। পরে ছয়বারে এর মেয়াদ বাড়ানো হয় মোট ১৫ বছর। সর্বশেষ ২০১৪ সালে আইনটির মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানো হয়, যা গত ৯ এপ্রিল শেষ হয়েছে। বিলটি পাস হওয়ার মধ্যে দিয়ে আইনটি ২০২৪ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
