রাওয়ালপিন্ডিতে সকাল থেকে ছিল বৃষ্টির দাপট। অঝরে কেঁদেছে রাওয়ালপিন্ডির আকাশ। যার কারণে ঘণ্টা পাঁচেক পর শুরু হয় বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম টেস্টের শুরুর দিনের খেলা। পাকিস্তানের সময় অনুযায়ী দুপুরের দিকে বৃষ্টি থেমে মধ্যগগনে উদয় হয় সোনালি সূর্যের। আর সেই সোনালি সময়ে নিজের স্বপ্নের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় টাইগার পেসার শরিফুল ইসলামের।
যা হয়তো আজীবন মনে রাখবেন এই টাইগার পেসার। মাত্র ১৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে তখন স্বাগতিকরা। ইংনিসের তখন নবম ওভার ও টাইগার পেসার শরিফুলের প্রথম ওভার। উইকেটে তখন পাকিস্তানের সবচেয়ে তারকা ব্যাটার বাবর আজম। স্বাগতিক সমর্থকদের চোখ তখন বাবরের ওপর। তখনো রানের খাতা খুলতে পারেননি এই পাক ব্যাটার। শরিফুলের করা দ্বিতীয় বলে উইকেটের পেছনে থাকা লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাবর। তাতেই স্বপ্ন পূরণ হয় টাইগার পেসার শরিফুল ইসলামের।
শুধু স্বপ্ন বললেও ভুল হবে, এটা শরিফুলের জন্য স্বপ্নের চেয়েও বেশি কিছু। এর আগে প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে সংবাদ সম্মেলেনে শরিফুল বলেছিলেন, তার স্বপ্নের উইকেট বাবর আজম। এই নিয়ে তিনি আরও বলেছেন, 'বাবর আজম কঠিন চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের জন্য। তাই দ্রুত তার উইকেট নিতে হবে। আমার স্বপ্নের উইকেট বাবর আজম। বাবর আজম ভাইয়ের উইকেট পেলে আমার খুব ভালো লাগবে।'
তবে কখনো হয়তো এই টাইগার পেসার কল্পনা করতে পারেননি নিজের করা দ্বিতীয় বলে বাবরকে ফেরাবেন তিনি। তা-ও আবারও শূন্য রানে। যদিও এবারই প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হয়নি বাবার আজম ও শরিফুল ইসলাম। এর আগে পাঁচ বার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই জন। তবে সেসব দেখায় একবারও বাবর আজমকে সাজঘরে ফেরাতে পারেননি এই টাইগার পেসার।
অন্যদিকে টেস্ট ক্যারিয়ারে ৫৪ ম্যাচ খেলে নবম বারের মতো শূন্য রানে আউট হন বাবর। এর আগে ২০২১ সালের এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারে সবশেষ শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন পাকিস্তানের সাবেক এই টেস্ট অধিনায়ক।
