চৌদ্দগ্রামে ২৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে কয়েক হাজার মানুষ, উদ্ধারে নেমেছে সেনাবাহিনী 

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৪, ১৭:৫৫

পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হাজার হাজার মানুষ। বন্যার কারণে গত দুইদিন (বুধবার, বৃহস্পতিবার) ও শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত উপজেলা সদরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

জানা গেছে, উপজেলার ২৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে কয়েক হাজার দুর্গত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার বহুতল ভবনে আশ্রয় নিয়েছে শত শত মানুষ। বন্যা কবলিত মানুষকে উদ্ধারের জন্য শুক্রবার দুপুর থেকে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। 

চৌদ্দগ্রামের ইউএনও রহমত উল্লা ইত্তেফাককে জানান, টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় উপজেলার পৌরসভা এলাকাসহ আলকরা, গুনবতি, জগন্নাথ, চিওড়া, কনকাপৈত, বাতিসা, মুন্সিরহাট, শুভপুর, শ্রীপুর ও কাশিনগর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষকে উদ্ধারের জন্য শুক্রবার দুপুর থেকে সেনাবাহিনী নৌকা ও স্পিডবোট দিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করছেন।

ইত্তেফাক/এসএএস