থাইল্যান্ডের সাবেক সেনাপ্রধান ও রাজনীতিবিদ প্রবিত ওংসুওন সম্প্রতি এক সাংবাদিককে চড় ও ঘুষি মেরে বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন।
শুক্রবারের (২৩ আগস্ট) এই ঘটনায় ওই সাংবাদিক আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর থাইল্যান্ডের সংসদ জানিয়েছে যে তারা ঘটনাটি তদন্ত করবে।
মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে যে, ৭৯ বছর বয়সী সাবেক সেনাপ্রধান হেঁটে আসছিলেন। ওই সময় নারী সাংবাদিক দংতিপ ইয়াম্পোপ তাকে প্রশ্ন করছিলেন। উত্তেজিত হয়ে প্রবিত ওংসুওন তাকে সবার সামনে চড় ও ঘুষি মারেন এবং তারপর নিজের গাড়িতে উঠে চলে যান।
A politician is surrounded by journalists while walking down a corridor when one of them asks him a question.
— Stephen Mutoro (@smutoro) August 21, 2024
■ Instead of answering it, he raises his hand and slaps her in the head several times before climbing into his vehicle and driving away.
■ Videos of this interaction in… pic.twitter.com/WjYw7CZtWa
প্রবিত ওংসুওন ২০০০ সালের দিকে থাইল্যান্ডের সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন, এবং এই অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন প্রবিত ওংসুওন। এরপর ওই বছর সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার পর, প্রবিত ওংসুওনের দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে তিনি সাংবাদিককে ভালোভাবে চিনতেন এবং এটি ছিল একটি মজার ঘটনা, তার কোনও খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না।
থাইল্যান্ডের সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনও এই ঘটনার নিন্দা করেছে এবং এটি বাকস্বাধীনতার জন্য হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে।
