প্রখ্যাত সুরকার, সংগীত পরিচালক ইথুন বাবু। এদেশে সুরের রাজ্যে যে ক’জন গুণী ও জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক কাজ করেছেন তাঁদের সকলের ক্যারিয়ার রেকর্ডে নতুন শিল্পী তৈরির রেকর্ড নেই। হাতেগোনা কয়েকজন সুরকারই গর্বস্বরে বলতে পারেন—‘আমি অমুক অমুক শিল্পীকে ইন্ডাস্ট্রিতে এনেছি। বাকিরা সফল ও শীর্ষ জনপ্রিয় শিল্পীদের কণ্ঠে নিজের সুরকে হয়তো বিখ্যাত করেছেন।’ ইথুন বাবু সেই বিরল রেকর্ড সারির একজন সুরস্রষ্টা। মাঝে দীর্ঘ বিরতির পর আবারো নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করেছেন। কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন তারিফ সৈয়দ
কেমন আছেন। সুরের রাজ্যে আপনার ব্যস্ততা কেমন?
একই রকম। আর সুরের রাজ্যে তো রুটিন নেই। এই মুড এলো তো আজ হয়তো ৩টি গানের মুখরা সুর করে ফেললাম। কোনো কোনো সময় হয়তো সুরের তান ধরাই দেয় না।
ইন্ডাস্ট্রিতে একাধিক নতুন শিল্পী প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই চর্চায় সবচেয়ে আনন্দের বিষয় কী?
আনন্দের বিষয় আমার একান্তের। এই ধরুন, একেবারে মফস্বল থেকে আসা কোনো মেধাবী তরুণ হয়তো আমার সুর কথায় গান গেয়ে দেশ-বিদেশে সুনাম কুড়াচ্ছেন। শিল্পী তৈরির চেয়ে আনন্দের পৃথিবীতে কিছু নেই। তখন আমি আমার অ্যালবাম খুলে পুরোনো ছবি দেখি। আর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করি যে, আল্লাহ তুমি আমার হাত ধরে মানুষের জীবন বদলানোর কাজটি করাচ্ছো এর চেয়ে বড় পাওয়া কী আর আছে।
এখনকার কাজের ব্যস্ততা বলুন—
বেশকিছু কাজ করলাম। সম্প্রতি অনেকদিন পর আসিফ-ডলির একটি গান করলাম। দারুণ সাড়া পাচ্ছি। এছাড়া নতুন ক’জন শিল্পীকে আনছি। একজন দারুণ কণ্ঠের ছেলে আছে। ওর নাম আসিফ আব্রাহাম। এটা আমার নতুন চমক।
এখনকার ইন্ডাস্ট্রি প্রসঙ্গে জানতে চাই—
এখন তো ইউটিউবভিত্তিক ইন্ডাস্ট্রি। এর তো বিকল্প নেই। সুতরাং আগে ভালো ছিল এখন মন্দ ওসব বলার মানুষ আমি না। আমি সুরের কারিগর। মাধ্যম যাই থাকুক, কাজ করে যাবো। তবে নতুন অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান খুব ভালো করছে।
ইথুন বাবু ও অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর সেরা সৃষ্টি জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর
