গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ডা. তপন কুমার মন্ডলের মুক্তি দাবিতে বুধবার সকালে গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিক্যাল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতালের শিক্ষার্থী এবং ইন্টার্ন চিকিত্সকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সমানের সড়কে দাঁড়িয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে চিকিত্সক ও শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারলিপি দেন।
গত ২১ মে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নার্সের ভুল ইনজেকশন পুশে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মরিয়ম সুলতানা মুন্নি অচেতন হয়ে পড়ে। তারপর থেকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মুন্নির চিকিত্সা চলছে। এ ঘটনায় গত ২৪ মে মুন্নির চাচা জাকির হোসেন বাদী হয়ে জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিত্সক ড. তপন কুমার মণ্ডল, নার্স শাহনাজ পারভিন ও কুহেলিকাকে আসামি করে গোপালগঞ্জ থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। গত ৭ জুলাই ঐ মালায় ড. তপন কুমার মণ্ডল গোপালগঞ্জের আমলী আদালতে হাজির হয়ে জামিন চান। বিচারক মো. হুমায়ুন কবির তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিক্যাল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিত্সক সুদীপ দাস পলাশ বলেন, এ সংক্রান্ত ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শাহনাজ পারভিন ও কুহেলিকার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর শরীরে ভুল ইনজেকশন পুশ করার সত্যতা মিলেছে বলে প্রতিবেদন দিয়েছে। এ প্রতিবেদনে ডা. তপনের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়নি। আমরা তার মুক্তি চাই।
