আমিনুল ইসলাম হিরু, বগুড়া অফিস
সারিয়াকান্দিতে মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ এলাকার মরিচের খ্যাতি থাকায় মসলা আকারে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। আর ভালো দাম পেয়ে কৃষকরাও খুশি। চলতি বছর উপজেলায় তিন হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৯ হাজার ৯৮৫ হেক্টর জমিতে মরিচ আবাদ হয়েছে। এতে ৯ হাজার ২১৬ মেট্রিক টন মরিচ (শুকনো মরিচ) উত্পাদন হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।
দিঘাপাড়ার লিটন মিয়া চার বিঘা জমিতে চাষ করে শুকনো মরিচ পেয়েছেন ৩২ মণ। যমুনার শোনপচা চরের আজিজল আকন্দ ১০ বিঘা জমিতে শুকনো মরিচ পেয়েছেন ৭৫ মণ। একই চরের এরশাদ শেখ ১৫ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেন। কাঁচা মরিচ বিক্রি করার পরেও ৯০ মণ শুকনো মরিচ গোলায় তোলেন।
হাটফুলবাড়ির স্কয়ার গ্রুপের এজেন্ট আব্দুল কুদ্দুস কাইউম জানান, ৮/১০ জন এজেন্ট রয়েছে। তারা কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কোম্পানিতে মরিচ সরবরাহ করে আসছে। কোম্পানিতে কোয়লিটি মরিচ সরবরাহের জন্য চাতালে মরিচ শুকিয়ে বাছাই করা হয়। সারা বছর সারিয়াকান্দিতে দেড়শ কোটি টাকার মরিচের বাণিজ্য হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল হালিম বলেন, এ এলাকার উত্পাদিত মরিচের রং, গন্ধ ও গুণগতমান গৃহিণীদের কাছে প্রিয়। তাই বিভিন্ন মসলা উত্পাদনকারী কোম্পানি এখানকার মরিচ সংগ্রহ করে মসলা আকারে বাজারজাত করছে। অনুকূল আবহাওয়া, চরের উর্বর জমি, মরিচ চাষিদের অভিজ্ঞতা এবং কৃষি বিভাগের নিবিড় তদারকির কারণে এবার মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে।
