সাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বার্থে পরিছন্ন বাতাস দরকার। পরিচ্ছন্ন বাতাসে ৭৮ শতাংশ নাইট্রোজেন, ২১ শতাংশ অক্সিজেন এবং এতে কার্বন ডাই অক্সাইড ০.০৩%-এর বেশি হওয়া উচিত নয়। কিন্তু বিশ্বের সমস্ত যান্ত্রিক যানবাহন, কল-কারখানা, গৃহ ও হোটেল রেস্তোরাঁয় জ্বালানি থেকে কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে। এই কার্বন বায়ুমণ্ডলে জমা হচ্ছে। কার্বণ নিঃসরণ কমিয়ে আনতে বিশ্বের সকল দেশে একযোগে কাজ করা সত্ত্বেও তা নানা কারণে সহনীয় মাত্রায় নেমে আসেনি। ফলে অনেক দেশের পরিবেশ সংকটাপণ্য। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। বিশুদ্ধ ও নির্মল বাতাসের অভাবে আমাদের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষতিসহ প্রকৃতি ও পরিবেশও মারাত্মক ক্ষতির শিকার। এদিকে আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ করা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বৃক্ষরোপণ হচ্ছে না। সারা বিশ্বই উষ্ণতা ও নির্মল বায়ুর অভাবে উদ্বেগ ও উত্কণ্ঠা প্রকাশ করে চলেছে। এ পরিস্থিতিতে বিল গেটসের মাইক্রোসফট, তেল উত্তোলনকারী শেভরন, বি এইচ পি ও অক্সিডেন্টাল-এর সহায়তায় কার্বন ইঞ্জিনিয়ারিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি তাদের তৈরি বিশাল আকৃতির পাখা ও জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে জমে থাকা কার্বন সরানোর কাজ করবে এবং এই কার্বন দিয়ে সিনথেটিক জ্বালানি তৈরি করে তা দিয়ে ভূমি থেকে তেল উত্তোলন করবে। ফলে প্রকল্পটি আর্থিকভাবেও ফিজিবল হবে। এরূপ একটি বেনেফিশিয়ারি প্রকল্পে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন সরিয়ে আমাদের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য পরিচ্ছন্ন বাতাসের উত্স সৃষ্টিতে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।
হাজী মো. আলী বশির
৮৮/৮৯ আগাসাদেক রোড,
মাহাবুব আলী, ৩১ আবদুল হাদী লেন, বংশাল, ঢাকা
