বাংলাদেশের বাজারে প্রোজেক্ট নির্মাতা জাপানি প্রতিষ্ঠান হিটাচি নাম পরিবর্তন করে নতুন নামে যাত্রা শুরু করেছে। চলতি বছরের শেষার্ধ থেকে স্থানীয় পরিবেশক ইউনিক বিজনেসের মাধ্যমে পণ্য বাজারজাতকরণে ম্যাক্সেল নামে রূপান্তর সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন হিটাচির আঞ্চলিক কার্যক্রমের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ঢাকা সফরের সময় হিটাচি সিঙ্গাপুরের ব্যবসায় উন্নয়ন বিভাগের প্রধান তরুণ জাইন ইত্তেফাকের সঙ্গে এক সাক্ষাত্কারে নতুন নামে ব্যাবসায়িক কার্যক্রম চালুর বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন মাহবুব শরীফ
স্থানীয় বাজারে পণ্যের পুনঃনামকরণ কী ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন?
আপনারা জানেন বছর তিনেক আগে হিটাচির প্রোজেক্টর ব্যবসায় অংশীদারিত্ব নেয় বিশ্বখ্যাত আলোকযন্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সেল। তখন থেকেই বৈশ্বিক বাজারে নতুন নামে রূপান্তর শুরু হয়। এখানে পণ্যের কোনো পরিবর্তন হবে না। শুধু নামের পরিবর্তন। আশা করা যায় ম্যাক্সল নামে রূপান্তরের ফলে হিটাচির বাজার আরো প্রসারিত হবে। আর হিটাচি শুধু তার প্রোজেক্টর ব্যবসায় রূপান্তর করছে। অন্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার আগের মতোই চলবে।
ব্র্যান্ড রূপান্তরের ক্ষেত্রে গ্রাহকপর্যায়ে কিংবা প্রকল্পে কী ধরনের ঝুঁকির সম্ভাবনা দেখছেন?
আমরা বিষয়টি পর্যালোচনা করেছি। আমাদের রিটেইল পয়েন্টগুলোতে বিক্রেতাদের জানানো হয়েছে। আর সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা আমাদের কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে রূপান্তর সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন। আশা করা যায়, উভয়পর্যায়েই পণ্যের বাজার অপরিবর্তিত থাকবে।
ম্যাক্সেল নামে প্রযুক্তিগত কোনো পরিবর্তন আসবে কি না?
হিটাচি সবসময় উদ্ভাবনে বিশ্বাস করে এবং ম্যাক্সেল রূপান্তরেও ব্যবসায় উদ্ভাবন অব্যাহত থাকবে। আমাদের বৈশ্বিক বাজারে আগে থেকেই ম্যাক্সেলের আলোকযন্ত্র পণ্যের সুনাম রয়েছে। ফলে হিটাচির বাজারে অভিনবত্ব যোগ করবে ম্যাক্সল।
বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সম্পর্কে আপনার অভিমত জানতে চাই।
প্রায় তিন মিলিয়ন পণ্যের বাজার হিসেবে বাংলাদেশ হিটাচির জন্য সম্ভাবনাময়। আর স্থানীয় নীতিনিরধারকগন ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতিতে অবদান রাখতে আগ্রহী। ২০১৩ সালে হিটাচির প্রোজেক্টর ব্যবসায় অধিগ্রহণের পরে পর্যায়ক্রমে অঞ্চলভিত্তিক বাজারে পণ্য বাজারজাতকরণে পরিবর্তনের উদ্যোগ আসে হিটাচির পক্ষ থেকে।
