যশোরের ডাকাতদের ডাকাতি থামানো যাচ্ছে না। একের পর এক সিরিজ ডাকাতি করেই চলেছে। আর ডাকাতির বিপরীতে পুলিশও করছে ‘কুইক রেসপন্স’। ধরাও পড়ছে ডাকাত দল। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তারা বেরও হয়ে আসছে। আবার শুরু করছে ডাকাতি। ডাকাত-পুলিশ এরকম খেলা-খেলার কথা তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মঈনুল হক। বৃহস্পতিবার তার সভাকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এমন তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার মঈনুল হক জানান, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের রাজাপুর, চাঁপাতলা ও বর্ণী গ্রামের চারটি বাড়িতে ডাকাত দল হানা দেয়। তারা অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ সকল পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযানে নামে। ফলও মেলে ২৪ ঘণ্টায়। ধরা পড়ে চার ডাকাত। তিনি আরো জানান, এরা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। এদের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এরা কখনোই একই দলভুক্ত থাকে না। অল্পদিনে দল পাল্টায়। আবার দলের সবাই সবাইকে সবসময় চেনেও না। একাধিক দল একসঙ্গে ডাকাতি করতে নেমেও ঘটনাচক্রে তাদের পরিচয় হয়। জেলখানায় বন্দি অবস্থায়ও তারা পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হয়ে মুক্তির পর বেরিয়ে এসে একই দলেও কখনো কখনো যুক্ত হয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আটকের পর জামিনে বের হয়ে এসে এরা আবার একই অপরাধ সংঘটিত করে।
